নারায়ণগঞ্জে নদীতে নেমে নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ ভেসে উঠল মুন্সিগঞ্জে
মুন্সিগঞ্জ, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
নারায়ণগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার (১০) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গেল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাট সংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীতে কচুরিপানার মধ্যে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।
নিহত ফাতেমা আক্তার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের শিয়াচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা শাহীন মিয়া ও মা নাজমা বেগম।
মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর স্কুল ছুটির পর দুই বান্ধবীর সঙ্গে পাশের বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে যায় ফাতেমা। একপর্যায়ে তার দুই বান্ধবী নদী থেকে উঠে এলেও ফাতেমা পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও সন্ধান পাননি।
এ ঘটনায় ফাতেমার নানী হাসেন বানু ফতুল্লা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের তিন দিন পর ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট সংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীতে তার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আব্দুল মাবুদের নির্দেশনায় পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও অন্যান্য সূত্রের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি ফাতেমার বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্তের সময় ডিএনএ নমুনা ও ভ্যাজাইনাল সোয়াব সংগ্রহ করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।









