মুন্সিগঞ্জে তীব্র গরমে বেড়েছে ডাবের চাহিদা, বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১৮০ টাকায়
মুন্সিগঞ্জ, ৪ জুন ২০২৬, সীমান্ত হাসান রাকিব (আমার বিক্রমপুর)
তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, প্রচণ্ড রোদ আর ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি পেতে মানুষ ছুটছেন প্রাকৃতিক পানীয় ডাবের পানির দিকে। ফলে মুন্সিগঞ্জ শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে ডাবের চাহিদা, চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দামও।
বর্তমানে শহরের বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকান ও খুচরা বাজারে প্রতি ডাব ৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের সুপার মার্কেট এলাকা, কাচারি, লঞ্চঘাট, হাসপাতাল মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা ডাব বিক্রি করছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকছে এসব দোকানে। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, পথচারী ও রোগী ও তাদের স্বজনরা বেশি পরিমাণে ডাব কিনছেন।
বিক্রেতারা জানান, কয়েক সপ্তাহ আগেও তুলনামূলক কম দামে ডাব বিক্রি করা সম্ভব হলেও বর্তমানে পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। গরমের কারণে মানুষের চাহিদা যেমন বেড়েছে, তেমনি সরবরাহ ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে খুচরা বাজারে বেশি দামে ডাব বিক্রি করতে হচ্ছে।
ডাব বিক্রেতা মো. শাকিল তালুকদার বলেন, এখন গরমের কারণে ডাবের চাহিদা অনেক বেশি। আগে যে পরিমাণ ডাব বিক্রি হতো, এখন তার চেয়ে অনেক বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে আমরা আড়ত থেকে বেশি দামে কিনে আনছি, তাই বিক্রির দামও বেড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুন্সিগঞ্জে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ ডাব দেশের দক্ষিণাঞ্চল, বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চল থেকে আনা হয়। বরিশালের বিভিন্ন এলাকা থেকে আড়তদাররা ট্রাক ও পিকআপযোগে ডাব এনে মুন্সিগঞ্জের বাজারে সরবরাহ করছেন। পরিবহন খরচ, শ্রমিক মজুরি ও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ডাবের দামেও এর প্রভাব পড়ছে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, দাম কিছুটা বেশি হলেও গরমে শরীরকে সতেজ রাখতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে ডাবের বিকল্প নেই। তাই প্রয়োজনের তাগিদেই তারা বেশি দামে ডাব কিনছেন। অনেকেই মনে করছেন, গরমের তীব্রতা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে ডাবের চাহিদা আরও বাড়তে পারে।









