ঘর নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় টিম
১৫৮

মুন্সিগঞ্জ, ৯ জুলাই, ২০২১, বিশেষ প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের কালিরচর দক্ষিণকান্দি এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণে দুর্নীতি-অনিয়মের বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) দুইটি টিম।

আজ শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুরে প্রকল্পের পরিচালক মাহবুব হোসেন এর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুইটি টিম সরেজমিন পরিদর্শন করেছে।

পরিদর্শন শেষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঘর নির্মাণ কাজে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স রয়েছে। এই করোনাকালীন সময়ে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩শ ৮০ টি ঘর নির্মাণ কম কথা নয়। সকল জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে আমরা মাঠে আছি আপনারাও মাঠে থাকুন। যাতে কোন জায়গায় কোন ত্রুটি বিচ্যুতি না থাকে। কোথাও তা পাওয়া গেলে দ্রুততম সময়ে যেনো তা সংশোধন করা হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প, স্বপ্নের প্রকল্প। একটি গরীব লোক যিনি ঘর পাচ্ছে তারতো স্বপ্নের শুরু মাত্র। তাই এই কাজে কোন অবহেলা করা হবে না, অবহেলা সহ্যও করা হবে না।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, আমাদের প্রকল্প অফিস থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া ছিল এই মূহর্তে ঘর নির্মাণ করা যাবে এমন খাস জমি পেলে ঘর নির্মাণ করতে হবে। আমরা কাউকে বলিনি নদীর পাড়ে, খালের পাড়ে, মাটি ভরাট করে এখনই করো। ত্রুটি বিচ্যুতি দু-একটি হয়ে থাকলে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিচ্ছি৷ এ অনিয়মের সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের বাইরে কেউ নেই। সরকারি টাকা অপচয় হোক বা জলে যাক তা আমরা চাইনি। স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতির পিতার আহ্বানে যেভাবে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। এই ঘর নির্মাণের কাজ একইভাবে হচ্ছে। আমরা চাচ্ছি না কোন ত্রুটি বিচ্যুতি হইক, এটি কাম্য নয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মাহবুব হোসেন আরও বলেন, তথ্য দেয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। কারণ আপনাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যই আমি লিখি ও তদন্তে পাঠাই৷ তাই আমি আশা করবো তথ্য দেয়ার বেলায় যেনো সঠিক তথ্যটি দেয়া হয়।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এ.বি.এম সরওয়ার-ই-আলম, মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দীপক কুমার রায়, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও হামিদুর রহমান, আধারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল কবির প্রমুখ।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ