১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সোমবার | দুপুর ১:১৬
মুন্সিগঞ্জে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলির মামলায় ‘নৌ ডাকাত’ রিপনসহ গ্রেপ্তার ৩
খবরটি শেয়ার করুন:
119

মুন্সিগঞ্জ, ২৮ আগস্ট ২০২৫, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সামনে নদীতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ও হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি ‘মেঘনার শীর্ষ নৌ ডাকাত’ রিপনসহ ৩ গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। এর আগে চলতি বছরের ৪ মে ৭টি মামলায় ওয়ারেন্ট থাকা অবস্থায় রিপনকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিলো মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু কিছুদিন পরই জামিনে বের হয়ে যায় রিপন।

রিপন মেঘনার আলোচিত নয়ন-পিয়াস বাহিনীর সদস্য। এর আগে পিয়াস জেলে থাকা অবস্থায় কিছুদিন বাহিনী প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে সে। তার বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানায় হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, চুরি, অস্ত্র ও মাদক আইনে ২৩টি মামলা রয়েছে।

র‌্যাব প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকার মতিঝিল থানার গাংচিল হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র ডাকাতদের হামলা ও গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত আসামি মো. হারুন মেম্বরকে (৪৭) গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৩টার দিকে ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানার কাজলা এলাকা হতে আসামি মো. জামিল উদ্দিন মাসুমকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যে সকাল ৭টার দিকে গাজীপুর সদর থানাধীন তেলিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রিপন (৪১) গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর এলাকার মৃত আ. বাতেনের পুত্র। এসময় গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের কাছ থেকে ৪ টি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়।

গত ২৫ আগস্ট বিকাল আনুমানিক পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানাধীন গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুরে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যদের ওপর নৌ ডাকাত দল নয়ন পিয়াস-রিপন এর সদস্যরা গুলি ও ককটেল হামলা চালায়। এ সময় আত্মত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় ২৬ আগস্ট দুপুরে ‘জড়িতদের গ্রেপ্তারে’ যে কোন সময় যৌথবাহিনির অভিযানের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। একইদিন বিকালে এলাকাটিতে অভিযানে নামে পুলিশ, র্যাব ও কোস্টগার্ডের সমন্বিত ২০০ সদস্যের আভিযানিক দল। তবে ওইদিন কাউকে আটক বা কোন অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। সন্ধ্যায় পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা এসআই সৈয়দ আজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

ফেইসবুকে আমরা
ইউটিউবে আমরা