জঙ্গি শব্দটি আ.লীগ চালু করেছে: হান্নান শাহ
বাংলাদেশে জঙ্গি শব্দটি আওয়ামী লীগ চালু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ। জঙ্গি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরকারের একটি অংশ ও সরকারের একটি বিশেষ বাহিনীর লোক জড়িত বলে দাবি করেন তিনি। আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সমাবেশে হান্নান শাহ এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জঙ্গি জঙ্গি করেন, আগে আওয়ামী লীগের মধ্যে যেসব জঙ্গি আছে তাদের ধরুন। উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করবেন না।’ তিনি বলেন, দেশে জঙ্গি শব্দ চালু করেছে আওয়ামী লীগ। নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকেও তারা বলে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।
‘আওয়ামী লীগ নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপাতে এক্সপার্ট’—মন্তব্য করেছেন আ স ম হান্নান শাহ বলেন, দুই বিদেশি নাগরিক হত্যায় বিএনপির নেতা আব্দুল মঈন খান ও হাবিব-উন-নবী খানকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এগুলো চলবে না। তিনি বলেন, ব্লগার হত্যায় এফবিআইয়ের সদস্য আনা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ ও দুই বিদেশি হত্যায় এখন পর্যন্ত এফবিএকে আনার খবর নেই।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব হাবিব-উন-নবী খানের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ ও গণমাধ্যমে তাঁর সম্পর্কে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে এ সমাবেশ হয়। হান্নান শাহ দাবি করেন, জঙ্গিবাদের সঙ্গে সরকারের একটি অংশ ও একটি বিশেষ বাহিনীর লোক জড়িত। গাইবান্ধা ও মাগুরার ঘটনাই প্রমাণ করে এ দেশে কারা জঙ্গি, সন্ত্রাসী।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা কত ‘শান্তশিষ্ট লেজবিশিষ্ট’ তা সবাই জানে। এক এমপি শিশুকে গুলি করেছে। আরেক এমপির গাড়িতে লাশ পাওয়া গেছে। প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে জনগণকে ভয় দেখান। এটা শুধু গাইবান্ধা-গফরগাঁওয়ে নয়, সারা দেশে একই চিত্র। এগুলো হচ্ছে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ। স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি মুনির হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন।


