দাঙ্গা-হাঙ্গামা সাধারণ মানুষ কোনকালেই পছন্দ করে না-মৃণাল
বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ও ৩ অাসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস বলেছেন, ইসলাম ধর্মের সঠিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে জঙ্গীবাদের সমস্যা কমে অাসবে। এজন্য সমাজের সচেতন ব্যাক্তিগণকে সতর্ক হতে হবে। জঙ্গীবাদের সমস্য কাটিয়ে উঠতে হলে সামাজিক প্রতিরোধের বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার পঞ্চসারের বিনোদপুর এলাকায় স্থানীয় মাইজভাণ্ডারী সমর্থকদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত অালোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি অারও বলেন, ইসলাম মানবতার ধর্ম। মানবিক অাচরণ করলেই একমাত্র মানুষের মনে স্থান করে নেয়া যাবে। সহিংসতা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা সাধারণ মানুষ কোনকালেই পছন্দ করে না।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে মৃণাল কান্তি দাস বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। আবহমানকাল থেকেই এ দেশে বিভিন্ন ধর্মের লোকের বসবাস। এ দেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে সাঁওতাল, চাকমা, হাজং, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন উপজাতির সংস্কৃতি। সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির কারণে এখানে খ্রিস্টানদের বড়দিন, বৌদ্ধদের বুদ্ধপূর্ণিমা, হিন্দুদের পূজা এবং মুসলমানদের ঈদ উদযাপনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয় ।
এদেশে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সব ধর্মের লোকের উপস্থিতির অনেক উদাহরণ আছে। এমনকি ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতার খবরও নতুন নয়। বিয়ে, মেলা ও নবান্নসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সকল ধর্মাবলম্বীর পারস্পরিক অংশগ্রহণ বহুল প্রচলিত। এমনিভাবে বাংলাদেশের সামাজিকতার বিভিন্ন পর্যায়ে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান প্রভৃতি ধর্মের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের সৈয়দ সাইফুদ্দিন অাহমদ অাল-হাসানী।
এসময় অারও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা তপন, জেলা পরিষদের সদস্য গোলাম রসূল সিরাজী রোমান, পঞ্চসার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য জাহিদ হাসান, ইউপি সদস্য রুবেল সরদার, শহিদুল ঢালী, অাব্দুস সালাম, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অাপন দাস, প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শিহাব অাহমেদ প্রমুখ।







