ইমদাদুল হক মিলন ১৯৫৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিক্রমপুরের মেদিনীমণ্ডল গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস বিক্রমপুরের লৌহজং থানার পয়সা গ্রামে। তাঁর পিতা গিয়াসুদ্দিন খাঁন এবং মাতা আনোয়ারা বেগম। ইমদাদুল
ডঃ ফখরুদ্দীন আহম্মেদ ১৯৪০ সালের ১ মে বিক্রমপুরের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার নগরকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । পিতা ডাঃ মহিউদ্দিন আহম্মেদ । ফখরুদ্দীন আহম্মেদ ১৯৫৫ সালে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া হাই স্কুল থেকে
শেখ রাসেলঃ দুই বাংলার জনপ্রিয় লেখক সত্যেন সেন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের লীলাভূমি বিক্রমপুর এর সোনারং গ্রামে ১৯০৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন ।গ্রাম বাংলার পটভূমিতে লেখা তাঁর ‘পদচিহ্ন’ উপন্যাস বাঙালী জীবনের এক
ঐতিহাসিক জনপদ বিক্রমপুর, স্বাধীন বাংলার রাজধানী বিক্রমপুর আজ ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। এক সময়ের সেই গৌরবের রাজধানী বিক্রমপুর এখন অতিতের নিরব সাক্ষী মাত্র। নির্জন ভগ্নস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। অস্তিত্বরক্ষার প্রাণান্তকর চেষ্টায়
মুন্সীগঞ্জে মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা সোনা-রূপা নিয়ে অনুসন্ধানে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এগুলো প্রায় চার দশক ধরে মাটির নিচে ছিল। এই সোনা-রূপার গহনাগুলো ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের রথের জগন্নাথ, বলরাম
প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশের নদীগুলো বিভিন্ন সময় তার গতিপথ পরিবর্তন করে দেশের ভূ-প্রকৃতির পরিবর্তন করেছে। একসময়ের বিশাল ব্রহ্মপুত্র আজ মরা নদীর সুতা, বুড়িগঙ্গা বুড়ি হয়ে জীর্ণ, গঙ্গা কীর্তিনাশ করে আজ কীর্তিনাশা
বাংলাদেশের দ্বিতীয় পর্যায়ে মুসলমানদের আগমনের প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যায় মুন্সীগঞ্জ জেলায়। মুন্সীগঞ্জ এক সময় বিক্রমপুর নামে সমগ্র ভারতবর্ষে সুপরিচিত ছিল। বিক্রমপুর বাংলার প্রাচীন রাজধানী হিসেবেও পরিচিত। এই মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুরের কেওয়ার গ্রামে
(অতীত ও বর্তমান কালের) মুন্সিগঞ্জে ঐতিহ্য আর গৌরবের যে ধারাটি বিক্রমপুর আমল থেকে শুরু হয়েছিল রাদন্ড নিয়তির কাছে পর্যুদস্ত হলেও জ্ঞানী ও গুণী সৃষ্টির যে ব্রাত্য আয়োজনটি মহাযজ্ঞের মতো তৈরি
মুন্সীগঞ্জ জেলার নামকরণের ইতিহাস জানতে গিয়ে দেখা যায় এ বিষয়েও অনেক জনশ্রুতি রয়েছে । মোঘল শাসনামলে মুন্সিগঞ্জ এর নাম ছিলো ইদ্রাকপুর । ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইদ্রাকপুর কেল্লার ফৌজদারের নাম