বিক্রমপুরের হাজার বছরের পুরনো যত মসজিদ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় পর্যায়ে মুসলমানদের আগমনের প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যায় মুন্সীগঞ্জ জেলায়। মুন্সীগঞ্জ এক সময় বিক্রমপুর নামে সমগ্র ভারতবর্ষে সুপরিচিত ছিল। বিক্রমপুর বাংলার প্রাচীন রাজধানী হিসেবেও পরিচিত। এই মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুরের কেওয়ার গ্রামে রয়েছে ৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ আউলিয়ার মাজার।
১৯৭৪ সালে একটি ভগ্ন মাজার সংস্কারের কেওয়ার গ্রামে রয়েছে ৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ আউলিয়ার মাজার। ১৯৭৪ সালে একটি ভগ্ন মাজার সংস্কারের সময় আরবিতে লিখিত একটি পাথর খন্ড পাওয়া যায়। এ পাথর খন্ড কেওয়ার গ্রামে ৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের মসজিদের স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু সেই প্রাচীন মসজিদটির অস্তিত্ব না থাকলেও পাথর খন্ডতে লিখিত দিঘি, ঘটলা ও মাজার ১২টি হুবহু রয়েছে। বর্তমান বার আউলিয়া মাজার মসজিদটি ১৯৮৬ সালে নির্মিত।
মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থিত অন্যান্য প্রাচীন মসজিদের মধ্যে বাবা আদম শহীদ (র.) মসজিদ অন্যতম। বাংলার সুলতান ফাত্ শাহের শাসনামলে মুন্সীগঞ্জের শাসক মহান মালিক কাফুর শাহ্ ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন। ছয় গম্বুজ বিশিষ্ট এ প্রাচীন মসজিদ এর ছবি সম্বলিত ডাকটিকেটও বাংলাদেশ সরকার ১৯৯১-১৯৯৬ সালে প্রকাশ করেছিল।
মুন্সীগঞ্জ রিকাবী বাজারের টেঙ্গর নামক স্থানে ১৫৬৯ সালে এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ দেখা যায়। এ মসজিদটি যে কোন সময় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে। এছাড়াও মুন্সীগঞ্জ এর সুয়াপাড়া গ্রামে এক গম্বুজ বিশিষ্ট মুঘল মসজিদ, কাজী কসবা গ্রামের সুলতানি মসজিদ, টঙ্গীবাড়ী থানার পূর্ব পাশের মসজিদ, পাথরঘাটা মুঘল মসজিদ এখনো বিদ্যমান।








