ইতিহাসে বিক্রমপুর

মুন্সিগঞ্জ, ৩০ আগস্ট ২০২৫, শেখ রাসেল ফখরুদ্দীন (আমার বিক্রমপুর) সম্প্রতি পুরানো পত্রিকাদি ঘাটতে গিয়ে একটি সচিত্র প্রতিবেদন চোঁখে পড়ে। বিচিত্রা পত্রিকার নবম বর্ষ ১৩৪২-১৩৪৩ (বাংলা) দ্বিতীয় খন্ডের ৭১১-৭১২ পৃষ্ঠায় “বাঙ্গালী

মুন্সিগঞ্জ, ১৬ এপ্রিল ২০২৫, শিহাব আহমেদ (আমার বিক্রমপুর) বাংলা নববর্ষ ঘিরে চৈত্র সংক্রান্তিতে প্রতিবছর মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাপুর এলাকায় লোক উৎসব ‘লাল কাচ’ (Lal Kach Festival) হয়ে থাকে। যা দেখতে

মুন্সিগঞ্জ, ৭ মে ২০২৩, শিহাব আহমেদ (আমার বিক্রমপুর) ১০০ ফুঠ উচ্চতার প্রাচীন বিক্রমপুর জনপদের আউটশাহী মঠের বয়স অন্তত ৩০০ বছর। হিন্দু ধর্মালম্বী বিজয় রাম কর ১৭৫৫ থেকে ১৭৫৭ সালে তার

মুন্সিগঞ্জ, ১৬ এপ্রিল ২০২৩, শিহাব আহমেদ (আমার বিক্রমপুর) বাংলা নববর্ষের আগমনকে ঘিরে দুইদিনব্যাপী জমজমাট গলুইয়া উৎসব হয়ে গেল পদ্মাপাড়ে। প্রাচীন বিক্রমপুর অর্থাৎ বর্তমান মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ঝাউটিয়া এলাকায় দুইশো বছর

মুন্সিগঞ্জ, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, শিহাব আহমেদ (আমার বিক্রমপুর) প্রায় ২০০ বছর আগে বিক্রমপুরের সিরাজদিখান অঞ্চলে পুলিনবিহারী দেব তার স্ত্রীকে নিয়ে সর্বপ্রথম নিজ বাড়িতে পাতক্ষীর তৈরি শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে

মুন্সিগঞ্জ, ২৯ অক্টোবর, ২০২২, ডেস্ক রিপোর্ট (আমার বিক্রমপুর) আজ ২৯ অক্টোবর বিক্রমপুরের কৃতি সন্তান কালীপ্রসন্ন ঘোষের মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ছিলেন, বাঙালী সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক ও বাগ্মী (সুবক্তা, বাক্‌পটু)। কালীপ্রসন্নের রচনারীতি বিদ্যাসাগর,

মুন্সিগঞ্জ, ১৫ অক্টোবর, ২০২২, শিহাব আহমেদ (আমার বিক্রমপুর) এই গাছটি সারা বাংলাদেশে আছে ৫০টিরও কম আর পুরো বিক্রমপুর অর্থাৎ মুন্সিগঞ্জে আছে মাত্র ১ টি। কি দর্শক বিশ্বাস হচ্ছে না? কিন্তু

মুন্সিগঞ্জ, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, নিজস্ব প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর) আজকের মুন্সিগঞ্জ জেলা এক সময় বিক্রমপুর নামে ভারতবর্ষে পরিচিত ছিল। এ বিক্রমপুর ছিল প্রাচীন বাংলার রাজধানী। রাজা বিক্রমাদিত্য অথবা বঙ্গরাজ চিত্রসেন বিক্রমপুর

মুন্সিগঞ্জ, ৩০ আগস্ট, ২০২২, শেখ রাসেল ফখরুদ্দিন (আমার বিক্রমপুর) সম্প্রতি পুরানো পত্রিকাদি ঘাটতে গিয়ে একটি সচিত্র প্রতিবেদন চোঁখে পড়ে। বিচিত্রা পত্রিকার নবম বর্ষ ১৩৪২-১৩৪৩ (বাংলা) দ্বিতীয় খন্ডের ৭১১-৭১২ পৃষ্ঠায় “বাঙ্গালী

মুন্সিগঞ্জ, ২৮ জুলাই, ২০২১, প্রধান প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর) আনুমানিক ৯০০ বছর আগে পাশাপাশি গড়ে উঠা একটি বট গাছ ও তেতুল গাছ আজও দাড়িয়ে আছে কয়েক প্রজন্মের ইতিহাস ও কালের স্বাক্ষী