শ্রীনগরে ঘোড়ার গাড়ীতে সংসার চলে শতাধিক পরিবারের
150

আধুনিক যুগেও মালামাল বহনে ঘোড়ার গাড়ি বাহন হিসেবে ব্যবহার করছেন শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল এলাকার বালাসুর গ্রামের কিছু পরিবার। প্রতিদিন ৬-৭ কিলোমিটারেরও বেশি কাঁচারাস্তা – পাকা রাস্তা পাড়ি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মণ ওজনের মালামাল গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে ঘোড়াগুলো। এভাবে মালামাল বহন করে ঘোড়ার গাড়ি চালকরা প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। আলু, ধান এবং ভুট্টার মৌসুমে ফলন ঘরে তোলার সময় কয়েক মাস ঘোড়াগাড়ি চালকদের যেমন পরিশ্রম বেড়ে যায় তেমনি আয়ও দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। এই ঘোড়ার গাড়ির আয় দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন ওইসব এলাকার প্রায় শতাধিক পরিবার। বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা তাদের নিকটবর্তী পাইকারি বাজার থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য এবং ব্যবহার্য সামগ্রী ক্রয় করে তা ঘোড়ার গাড়িতে বহন করে নিজ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসছেন উত্তর বালাশুর গ্রামের ঘোড়ার গাড়ি চালক রহমতউল্লা মুন্সীগঞ্জ টাইমস কে জানান দীর্ঘ ৮ বছর থেকে এ পেশার সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি বলেন, একটি ঘোড়া দিয়ে ৫ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত মালামাল বহন করতে কোনো অসুবিধা হয় না। প্রতিদিন তিনি তার ঘোড়াটাকে খাওয়ানোর জন্য ১০০ থেকে ১৩০ টাকার বুট-ভুসি এবং দানাদার খাবার কিনে আনেন। যত্ম নিলে ঘোড়ার তেমন রোগ-বালাই হয় না। তবে মাঝে মাঝে পেট ব্যথার জন্য পশু চিকিৎককে দেখানোর প্রয়োজন হয়।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ