মুন্সিগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান , ১১ অবৈধ প্রতিষ্ঠানের ইট ও বালু জব্দ
115

মুন্সিগঞ্জে গতকাল সোমবার ভ্রাম্যমাণ আদালত ১১টি অবৈধ ইট ও বালুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ইট ও বালু জব্দ করেছেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম মো. আবু সাঈদ।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টার দিকে সদরের পঞ্চসার ইউনিয়নের মিরেশ্বরাই এলাকা থেকে অবৈধ বালু ও ইটের ব্যবসা অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুর দেড়টায় মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত বাঁধের তীর ঘেঁষে প্রায় আধা কিলোমিটার অংশজুড়ে গড়ে ওঠা ১১টি অবৈধ ইট ও বালুর প্রতিষ্ঠানের ইট ও বালু জব্দ করা হয়। এর আগে ১৪ জুলাই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ‘সন্ত্রাসী’ জাহিদ হাসানের স্থাপনাসহ ১৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। ওই সময় তিনটি প্রতিষ্ঠানের স্তূপ করে রাখা ইট ও বালু জব্দ করা হয়। দুই দফা অভিযানে মোট ১৪টি অবৈধ ইট ও বালুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালামাল জব্দ ও ১৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
ধলেশ্বরীর তীর ঘেঁষে রিকাবীবাজার থেকে হাটলক্ষ্মীগঞ্জ পর্যন্ত তিন কিলোমিটার বাঁধ ও বাঁধের তীর ঘেঁষে অবৈধভাবে বালুর ব্যবসা করছিল ১৩-১৪টি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া বাঁধে বাঁশ পুঁতে জেটি নির্মাণ করায় বাঁধের ব্লক ধসে পড়ছে। এসব নিয়ে ৪ জুলাই প্রথম আলোয় ‘বাঁধের বারোটা বাজিয়ে ব্যবসা’ ও এর আগে ২৯ জুন ‘এক জাহিদের অনেক কীর্তি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরই প্রশাসন থেকে ওই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান জানান, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরে শহর রক্ষা বাঁধ ঘেঁষে আরও গাছ রোপণ করে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করা হবে।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ