সাপে কাটা রোগীর জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম সরবরাহ স্বাভাবিক
263

মুন্সিগঞ্জ, ১৮ জুন ২০২৫, নিজস্ব প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

দীর্ঘ ৬ মাস পর অবশেষে ২৫০ শয্যা মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সাপে কাটার রোগীর চিকিৎসায় অ্যান্টিভেনম সরবরাহ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১০০ ভায়াল অ্যান্টিভেনম পৌঁছেছে জেলার প্রধান এই চিকিৎসা কেন্দ্রে।

পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভায়াল আসবে বলে সিভিল সার্জন ডা. মো. মনজুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এখন থেকে এখানে অ্যান্টিভেনম পাওয়া যাবে। আর আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জেলার ৫ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছাবে পর্যাপ্ত পরিমান অ্যান্টিভেনম।

সিভিল সার্জন জানান, গত সোমবার রাতে হাসপাতালে অ্যান্টিভেনমের ভায়াল এসে পৌছায়। এখন থেকে সারাবছর হাসপাতালে অ্যান্টিভেনমের ঘাটতি থাকবে না। সাপে কাটা রোগীকে এক ভায়াল অ্যান্টিভেনম দিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করার নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।

আমাদের পরামর্শ হচ্ছে, সাপে কাটা রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। সাপে কামড় দিলে সেটি বিষাক্ত হউক বা না হউক, হাসপাতালে যেনো চলে আসে। ওঝার কাছে নিয়ে রোগীর সময় নষ্ট করলে বাচানো দুষ্কর হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতি হাসপতালে পর্যাপ্ত সংখ্যক ডাক্তার ও নার্সদের রোগীকে অ্যান্টিভেনম প্রদানের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া আছে। যারা আউটডোর ইমার্জেন্সিতে কাজ করে সবাইকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাই চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে না।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন সাপে কাটা এক রোগীকে হাসপাতালে আনা হলেও অ্যান্টিভেনম না থাকায় তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়। কিন্তু ঢাকা পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু ঘটে। এদিন হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে হাসপাতালে অ্যান্টিভেনমের সরবরাহ ছিলো না। এ নিয়ে আমার বিক্রমপুরে ‘৬ মাস ধরে অ্যান্টিভেনম নেই মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে, ঢাকায় নেয়ার পথে নারীর মৃত্যু’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম আনার তোড়জোড় শুরু করে সংশ্লিষ্টরা।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ