২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
শনিবার | ভোর ৫:১৯
মুন্সিগঞ্জে নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে নির্মানাধীন মসজিদ
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ৩১ আগস্ট, ২০২১, বিশেষ প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার চৌসার গ্রামের একটি মসজিদের কাজ শেষ না হতেই মসজিদটি নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে।

উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি টংগিবাড়ী উপজেলার পাশ্ববর্তী পদ্মা নদী দিয়ে তীব্র আকারে বয়ে যাচ্ছে। এতে নদী ভাঙ্গনও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

টংগিবাড়ী উপজেলার পূর্ব হাসাইল গ্রাম হতে দিঘীরপাড় পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙছে প্রমত্তা পদ্মা নদী। ঘর বাড়ির পাশাপাশি একে একে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক স্থাপনা।

গত কয়েকদিনে ভাঙ্গনে কামারখাড়া ইউনিয়নের চৌসার গ্রামের প্রায় ৫০ টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিলীন হতে চলেছে ওই গ্রামের সামাজিক মসজিদটি। বিগত কয়েক বছর ধরে মসজিদটির পূনঃ নির্মান কাজ চলছিল। এখনো সম্পন্ন হয়নি পুরো নির্মাণ। এর মধ্যেই মসজিদটিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায় চৌসার মেওয়াতলা জামে মসজিদটির এক কোনের বেশ কিছু অংশের মাটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দিনদিন ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ায় মসজিদের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। অসহায়ভাবে এতিমের মত তাকিয়ে আছে ওই সমাজের লোকজন। যে কোনো মুহূর্তে মসজিদটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মসজিদের মোতাওয়াল্লী জানান, ৭০ বছর যাবৎ এই স্থানেই ছিল মসজিদটি। আগের ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে যাওয়ায় পুনরায় মসজিদটি নির্মাণ করার কাজ চলছিল। কিন্তু কাজ শেষ না হতেই নদীতে বিলীন হতে চলছে মসজিদটি।

এ ব্যাপারে টংগিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা পারভীন বলেন, নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষজনকে ইতিমধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তাদেরকে পুনরায় ঘর নির্মাণের জন্য নতুন টিন দেওয়া হবে। এছাড়া তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

error: দুঃখিত!