মুন্সিগঞ্জের সোনারং জোড়া মঠ দেখতে এলেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত
মুন্সিগঞ্জ, ৮ আগস্ট ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার ঐতিহাসিক সোনারং জোড়া মঠ ও কাঠাদিয়া সার্ক হাই স্কুল পরিদর্শন করেছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. শুইনীন রশীদ।
আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে সফরে এসে তিনি স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জেলার অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা সোনারং জোড়া মঠ ঘুরে দেখেন।
শনিবার সকালে উপজেলার কাঠাদিয়া সার্ক হাই স্কুলে পৌঁছান মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেন।
মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রদূত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, স্বপ্ন ও আগ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। শিক্ষার্থীরাও তাদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও প্রত্যাশার কথা রাষ্ট্রদূতের কাছে তুলে ধরে। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার কথোপকথন ছিল প্রাণবন্ত ও আন্তরিক। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা যায়।
বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে দুপুর দেড়টার দিকে টঙ্গিবাড়ীর সোনারং এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শনে যান মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত।
সেখানে তিনি মঠের স্থাপত্যশৈলী, নির্মাণকৌশল ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হন। ঐতিহাসিক এ স্থাপনার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কেও তিনি ধারণা নেন।
সোনারং জোড়া মঠ মুন্সিগঞ্জের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে মঠটি দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূতের এ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে মুন্সিগঞ্জের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
রাষ্ট্রদূতের টংগিবাড়ী সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন এবং স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ ধরনের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সফর মুন্সিগঞ্জের ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রত্নসম্পদ, স্থানীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন সম্ভাবনার প্রতি বিদেশিদের আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ ও দেশ-বিদেশে এর পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।









