১২ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার | বিকাল ৩:৪৬
মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করে হামলার শিকার বাবা!
খবরটি শেয়ার করুন:
68

মুন্সিগঞ্জ, ১৯ মে ২০২৫, নিজস্ব প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জ সদরের চরাঞ্চল আধারা ইউনিয়নের মাঝিকান্দি গ্রামে এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের সেলিম মাদবরের (৪০) বিরুদ্ধে। আর ঘটনার প্রতিবাদ করায় কথা কাটাকাটির জেরে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে ভুক্তভোগীর বাবা ইব্রাহিম ঢালী’কে । এ ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর বড় ভাই মো. জুয়েল।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে মাঝিকান্দি গ্রামে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা অভিযুক্ত সেলিম মাদবরের কাছে ইভটিজিং করার বিষয় জানতে গেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইব্রাহিম ঢালীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন সেলিম।

পরে মেয়ের বাবা ইব্রাহিমকে বেধড়কভাবে মারধর করে, পাশে পরে থাকা ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মাটিতে পরে যান তিনি। এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ইব্রাহিম ঢালী ও তার মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। পরে স্বজনরা এসে মাটিতে পরে থাকা ইব্রাহিম ঢালীকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ইব্রাহিম ঢালী অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে আদর্শ মহিলা মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। আমার মেয়ে প্রতিদিন মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল বাক্য ও কু-প্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করে আসছে সেলিম মাদবর। এমনকি কোন কোন সময় গায়ে স্পর্শ করার অপচেষ্টা ও করতো। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে সেলিম মাদবরের মুঠোফোনে কল দেয়া হলে তিনি জানান, মারধরের ঘটনা সত্য, কিন্তু ইট দিয়ে আমি মাথায় আঘাত করিনি। আমাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হচ্ছিলো, একপর্যায়ে ইব্রাহিম ঢালী পড়ে গিয়ে তার মাথা ফেটে যায় এবং পাশে থাকা টিনের বেড়ায় আঘাত পেয়ে নাকের মাংস কেটে যায়।

সদর থানার উপপরিদর্শক মিল্টন দত্ত বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।