১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বৃহস্পতিবার | সকাল ১০:৫৮
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে মুন্সিগঞ্জে ওসির বিরুদ্ধে মামলা
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ৬ মে ২০২৪, নিজস্ব প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

থানা হেফাজতে এক আসামিকে নির্যাতনের অভিযোগে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজাহিদুল ইসলামসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে।

রোববার দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করেন নির্যাতনের শিকার আবদুল বারেক।

মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. হোসেন বলেন, জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান মামলার ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে ভুক্তভোগীর জখমের বিষয়ে সিভিল সার্জনকে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বাদী আবদুল বারেক কেয়াইন ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া গ্রামের প্রয়াত হাসেম ব্যাপারীর ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জামাল হোসাইন জানান, পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২৩ এপ্রিল থানায় একটি মামলা করা হয়। পরের দিন ওই মামলায় এজাহারনামীয় আসামি দেখিয়ে আবদুল বারেকসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন রাতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের থানায় এনে পুলিশ নির্যাতন করে। পরদিন গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হলে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আইনজীবী জামাল হোসাইন বলেন, জেলহাজতে থেকে আবদুল বারেক বাদী হয়ে রোববার সিরাজদিখান থানার ওসি ও আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা করেন।

গত ২২ এপ্রিল সন্ধ্যায় কুচিয়ামোড়া কলেজ গেট এলাকায় মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদের সমর্থক আবদুল বারেকপক্ষ এবং দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে মহিউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ারের সমর্থক কেয়াইন ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ আলীপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে হামলায় ওসিসহ আহত হন ৯ পুলিশ সদস্য। ওই ঘটনায় সিরাজদিখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লোকমান বাদী হয়ে আবদুল বারেকসহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আবদুল বারেকসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সিরাজদিখান থানার ওসি মুজাহিদুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। সহকারী পুলিশ সুপার (সিরাজদিখান সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঘটনায় যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে তখন আমি ট্রেনিংয়ের কারণে সিরাজদিখানে ছিলাম না। তবে আদালতে একটি পিটিশন হয়েছে এবং আদালত সেটি অনুসন্ধানের জন্য দিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

error: দুঃখিত!