আমি ‘কোটিপতি’ প্রার্থী হলেও সমস্ত আয় বৈধ এবং ট্যাক্স পরিশোধ করা: মুন্সিগঞ্জ ২ এ এনসিপির প্রার্থী
মুন্সিগঞ্জ, ৬ জানুয়ারি ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ভেঙে এনসিপি করা, জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণ, জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া, বিএনপি প্রসঙ্গ, এনসিপির বর্তমান-ভবিষৎ, মতাদর্শ, ভোটারদের প্রতি প্রতিশ্রুতি ইত্যাদি নানা প্রসঙ্গে আমার বিক্রমপুরের মুখোমুখি হয়েছেন মুন্সিগঞ্জ ২ আসনে (টংগিবাড়ী-লৌহজং) এন সি পি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আমাদের প্রতিবেদক সাইফুল মৃধা।
সাক্ষাৎকারের শুরুতে মাজিদুল ইসলাম জানান যে, হলফনামা অনুযায়ী তাকে ‘কোটিপতি’ প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও তার সমস্ত আয় বৈধ এবং ট্যাক্স পরিশোধ করা।
নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ এখনো কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত যে নির্বাচন আসলেই হবে কি না। বড় একটি দল নির্বাচনে না থাকায় পরিবেশ একতরফা হওয়ার চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
মাজেদুল ইসলাম মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের সন্তান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করে তিনি সিটি ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনসাল্টিং ফার্মে কাজ করেছেন। রাজনীতিতে আসার কারণ হিসেবে তিনি জানান, এনসিপি-র ডেমোক্রেটিক মডেল তাকে আকৃষ্ট করেছে যেখানে কোনো নির্দিষ্ট পরিবারের আধিপত্য নেই।
জামায়াতে ইসলামীর সাথে এনসিপির জোটকে তিনি আদর্শিক নয় বরং একটি রাজনৈতিক জোট হিসেবে বর্ণনা করেন। মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী না থাকলেও মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে তিনি জোটের অন্যতম প্রার্থী হিসেবে কাজ করছেন। তিনি মনে করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট ধরে রাখতে রাজনৈতিক দল গঠন করা ছিল সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত।
মাজেদুল ইসলাম মুন্সিগঞ্জবাসীর প্রতি প্রমিজ করেন যে, তিনি কোনো দুর্নীতিতে জড়াবেন না এবং তার দলের কেউ এলাকায় চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাস করতে পারবে না। তিনি নদী ভাঙন কবলিত মানুষের দুঃখ বোঝেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করতে চান। তিনি সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়ে সাক্ষাৎকার শেষ করেন।


