১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
মঙ্গলবার | সকাল ৮:১১
আজ ১০ই মহররম, পবিত্র আশুরা
খবরটি শেয়ার করুন:
145

মুন্সিগঞ্জ, ৬ জুলাই ২০২৫, ডেস্ক রিপোর্ট (আমার বিক্রমপুর)

আজ ১০ই মহররম। পবিত্র আশুরা। আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ। বিশ্ব জুড়ে মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ দিন।

হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পালন করে থাকেন। মহান আল্লাহ্ রহমত ও ক্ষমা পাওয়ার আশায় এদিন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল রোজা, নামাজ, দান-খয়রাত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন।

হিজরি ৬১ সনের ১০ই মহররম সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) এবং তার পরিবারের সদস্যরা কারবালার প্রান্তরে ফোরাত নদীর তীরে নির্মমভাবে শহীদ হন।

শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রেরণা জোগায়। সত্য ও সুন্দরের পথে চলার প্রেরণা জোগায়।

শিয়া সম্প্রদায় এদিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এর মধ্যে তাজিয়া মিছিল উল্লেখযোগ্য।

বাসস জানিয়েছে, পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পবিত্র আশুরা জুলুম ও অবিচারের বিপরীতে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় মানবজাতিকে শক্তি ও সাহস জোগাবে।

পবিত্র আশুরার শোকাবহ এই দিনে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.)–সহ কারবালার প্রান্তরে মর্মান্তিকভাবে শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই মহিমান্বিত দিনটির তাৎপর্য ধারণ করে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভে সবার প্রতি বেশি বেশি নেক আমল করার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

শিয়া সম্প্রদায় এদিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এর মধ্যে তাজিয়া মিছিল উল্লেখযোগ্য।

দিনটি উপলক্ষে আজ (৬ জুলাই) সরকারি ছুটি।