ইতিহাসে বিক্রমপুর

ইতিহাস-সচেতন পড়ুয়া বাঙালির ব্যক্তিগত পাঠাগারে বাংলার ইতিহাসের যে বইটি অনিবার্য, সেই বইটি হল শ্রীযোগেন্দ্রনাথ গুপ্তর বিক্রমপুরের ইতিহাস। বাংলার ইতিহাসের ওপর, গত দেড়শ বছরে, যতগুলি বই লেখা হয়েছে সার্বিক বিচারে শ্রীযোগেন্দ্রনাথ

বিক্রমপুরের ভাগ্যকুলের বিখ্যাত জমিদার যদুনাথ রায়ের বাড়িটিকে ড. হুমায়ুন আজাদ নাম দিয়েছিলেন ‘বিলের ধারে প্যারিশ শহর’। আড়িয়ল বিলের দক্ষিণ দিকে তিনি ও তার ভাই প্রিয়নাথ রায় নির্মাণ করেছিলেন একই রকম

শেখ রাসেল ফখরুদ্দীনঃ আজ থেকে প্রায় ১০৩ বছর আগে ১৯১৩ সালের২৮ মে (বাংলা ১৩১৯ সাল১৪জ্যৈষ্ঠ) বিক্রমপুরের পাইকপাড়া গ্রামে লতিকা সেন জন্ম গ্রহণ করেন ।তাঁর পিতার নাম নিবারণ চন্দ্র দাশ এবং

জমিদারবাড়ির মাথায় তখন সূর্য সটান। যদুনাথ সাহা গড়েছিলেন পুবমুখো বাড়িটি। সম্মুখভাগে আটটি বিশাল থাম। দোতলার ছাদে গিয়ে ঠেকেছে। ভবনটির চারদিকেই এমন আরো থাম আছে। মনে হচ্ছিল গ্রিস দেশে চলে এসেছি।

মিশরের মমি গুলোতে যে মুসলিন কাপড়গুলো পেচাঁনো রয়েছে তা বিক্রমপুর ও এর আশেপাশে অঞ্চলে তৈরী। প্রায় ৫ হাজার বছর আগের এ মমি করে রাখা দেহগুলোতে মসলিন কাপড় জড়ানো রয়েছে। এ

দীনেশচন্দ্র গুপ্ত (৬ ডিসেম্বর,১৯১১-৭ জুলাই,১৯৩১) ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী একজন স্বনামধন্য বাঙালি বিপ্লবী। তিনি দীনেশ গুপ্ত নামেই সমধিক পরিচিত। তিনি ঢাকা ও মেদিনীপুরে বিপ্লবী সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। মেদিনীপুরে তাঁর

মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর হলো ইতিহাসের লীলা ভূমি। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের অনেক পবিত্র স্থান রয়েছে মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুরে। কালের বিবর্তনে সে সকল পবিত্র তীর্থ স্থানের নাম মুছে যেতে শুরু করেছে। আমাদের অনেক

হুমায়ুন আজাদ (এপ্রিল ২৮, ১৯৪৭–আগস্ট ১১, ২০০৪) (বৈশাখ ১৪, ১৩৫৪–শ্রাবণ ২২, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন বাংলাদেশি কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, সমালোচক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী, কিশোর সাহিত্যিক এবং রাজনীতিক ভাষ্যকার। তিনি বাংলাদেশের প্রধান প্রথাবিরোধী

আহসানুল ইসলাম আমিন: বর্তমানে এটি সুয়াপাড়া মিয়াবাড়ি জামে মসজিদ নামে পরিচিত। বজ্রযোগিনী বাজার থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিমে সুয়াপাড়া প্রাচীন মসজিদ। একটি প্রাচীন দীঘির পশ্চিম পাড়ে সুয়াপাড়া মিয়া বাড়ি মসজিদ। এ

নলিনীকান্ত ভট্টশালী (১৮৮৮-১৯৪৭)। কখনও শাহবাগের ঢাকা কেন্দ্রীয় জাদুঘরটির দিকে তাকালে আমার প্রত্নতাত্ত্বিক নলিনীকান্ত ভট্টশালীর কথা মনে পড়ে যায়। আমি তখন মৃদু উত্তেজনা বোধ করতে থাকি। তার কারণ, নলিনীকান্ত ভট্টশালী এমন