মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর থানার মহাকালি ইউনিয়নের কেওয়ার গ্রামে অবস্থিত চৌধুরী বাড়ি’র মঠ। মুন্সিগঞ্জ সদর হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মঠটি। এ মঠটি এখনও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। এটির পশ্চিম
আলসে বলে বেশ দুর্নাম আছে বাঙালী জাতির। আমরা পরিশ্রম করতে চাই না, স্বভাবে অতিরিক্ত আরামপ্রিয়, কিংবা অল্পতেই তুষ্ট হবার অভ্যাস আছে আমাদের। কিন্ত আমাদেরই কিছু পূর্বপুরুষ সামর্থ্যের সীমা ভেঙেছিলেন, দেখিয়ে
প্রথাবিরোধী লেখক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের ৭৩তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আজাদ ১৯৪৭ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে তাঁর নানাবাড়ি কামাড়গাঁওয়ে জন্ম নেন,
মুন্সিগঞ্জের ঐতিহাসিক নাটেশ্বর, রঘুরামপুর ও বল্লাল বাড়িতে উৎখননে বেরিয়ে আসছে একের পর এক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। উঠে আসছে হরেক রকমের মৃৎপাত্র, ধাতব ও পাথরের বস্তু, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ অবশেষ। এসব প্রত্ন
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি, ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু গড়ায়ে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ পৃথিবীতে একমাত্র বাংলাদেশের মানুষই ভাষা আন্দোলন করে, যা পৃথিবীর ইতিহাসে
জগদীশ চন্দ্র বসু ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পরিবারের প্রকৃত বাসস্থান ছিল বর্তমান বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে। তার বাবা ভগবান চন্দ্র বসু সেসময় ফরিদপুরের ডেপুটি
বাংলাদেশের প্রায় সবখানেই ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন আছে আমাদের দেশে, তেমন আছে মানুষের দ্বারা নির্মিত অনেক সুন্দর সুন্দর স্থাপনা। মানুষের তৈরি তেমন এক নিদর্শন সোনারং জোড়া
মাহবুব আলম জয়ঃ প্রাচীন নগরী বিক্রমপুর তথা মুন্সিগঞ্জ। শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিকাশে যারা কাজ করেছেন এমন অনেক গুনীজনের জন্ম এই জেলায়। তাদের মধ্যে অন্যতম মুন্সিগঞ্জের কৃতি সন্তান গ্রগতিবাদী লেখক
মাহবুব আলম জয়ঃ ইতিহাসে ভরপুর প্রাচীন জনপদ বিক্রমপুর। এই আলোকিত জেলায় জন্মেছেন বিখ্যাত ব্যক্তি বর্গ। নিজেদের কৃতিত্বে অর্জন করেছেন বিভিন্ন উপাধি। তাদের মধ্যে অন্যতম কবি ও লেখক সৈয়দ এমদাদ আলী।
মুন্সিগঞ্জ, ২৯ নভেম্বর, ২০২০, মাহবুব আলম জয় (আমার বিক্রমপুর) শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিকাশে প্রাচীন সভ্যতার জনপদ বিক্রমপুর তথা মুন্সিগঞ্জে জন্মেছে অনেক অালোকিত মানব। নিজের উন্নত জীবনের কথা না ভেবে