১৩ নয় , ১৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী আসছেন মুন্সিগঞ্জে
194

পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন এবং সেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পসহ কয়েকটি কাজের উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৩ অক্টোবর মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় আসার কথা থাকলেও তারিখ পরিবর্তন করে ১৪ অক্টোবর করা হয়েছে।

আজ ১১ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

মাওয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া প্রান্তে ১৩০০ মিটার নদীতীর রক্ষা কাজের উদ্বোধন করবেন। এ ছাড়া ১০ হাজার ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজের অগ্রগতিও পরিদর্শন করবেন। ইতিমধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের কাজের ৭০ ভাগ সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে প্রকল্পের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।

পদ্মা সেতুর মাধ্যমে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জের সাথে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে, ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে। দুই স্তর বিশিষ্ট ষ্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাস ব্রিজটির (truss bridge) ওপরের স্তরে থাকবে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরটিতে থাকবে একটি একক রেলপথ। সেতু নির্মাণের সব কাজ তদারকি করছে সেনাবাহিনী।

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে বাস্তবে রূপ দিতে ২০০১ সালের ১২ জুলাই মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের কুমারভোগ এলাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তন হলে ৯ বছর কাজের কোনো অগ্রগতি হয়নি। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর ফের সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ঋণ চুক্তি বাতিল করে। বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে ২০১৩ সালের ৪ মে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ