লেদারের জুতায় ফ্যাশন ও অভিজাত্য
শপিং যাদের প্যাশন, তাদের ওয়ার্ড্রোবে নানা রকমের জুতা থাকবে- এটাই স্বাভাবিক। কথায় আছে, প্রথমে দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী। কিন্তু তাই বলে হাল ফ্যাশনের জুতা প্রীতিতে ভুলে গেলে চলবে না লেদার। লেদারের জুতায় গড়ে ওঠে আলাদা ব্যক্তিত্ব, আভিজাত্য ও ফ্যাশনেও অনন্য লেদার।
লেদারের জুতার মধ্যে আছে দু’টি ধরন। লেদার ব্রোগ ও লেদার অক্সফোর্ড। মূলত স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডে থেকেই প্রচলন হয়েছে লেদার ব্রোগ জুতার। অভিনবত্বের জন্য লেদার ব্রোগ বেশ জনপ্রিয়। এটা সাধারণত ব্রাউন কালারের হয়। লেদার বা রাবারের সোল দিয়ে লেদার ব্রোগ জুতো তৈরি হয়।
কোনও বিজনেস মিটিং বা রাতের পার্টি- এই ধরনের জুতা শতভাগ পারফেক্ট। স্যুট, ব্লেজার থেকে শুরু করে শার্ট-প্যান্টের সঙ্গেও চমৎকার মানিয়ে যায় এই জুতা। কালো কিংবা ফর্মাল পোশাকে এই জুতা যোগ করে আলাদা মাত্রা। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখা উচিৎ, হালকা ব্রাউন কালারের জুতার রক্ষণাবেক্ষণও খুব বেশি করে করতে হয়।
ফর্মাল পার্টির জন্য অক্সফোর্ড জুতার জুড়ি মেলা ভার। নানা রঙের হলেও সাধারণত কালো রঙের সামান্য হিলযুক্ত লেদারের এই অক্সফোর্ড জুতো কম বেশি সব পুরুষই ব্যবহার করে থাকেন। তার অন্যতম কারণ, যেকোন পােশাকেই সমান মানানসই। ফর্মাল পোশাকের বদলে ক্যাজুয়াল পোশাকেও আভিজাত্য যোগ করে অক্সফোর্ড জুতা। এই জুতার যত্ন তেমন একটা না করতে হলেও ৪ থেকে ৬ মাস অন্তর জুতোয় পলিশ করানো জরুরি।
প্রত্যেকটি জুতার কোম্পানিতেই তৈরি হয় লেদার জুতা। দাম কিছুটা বেশি, তাই নন-ব্র্যান্ডের চেয়ে ব্র্যান্ডের জুতায় ভরসা রাখলে ভালো। একটু বুঝে শুনে কিনলে অনেকদিন চলে যায় লেদারের জুতায়। তাই বাটা, এপেক্স, বে কিংবা বিদেশী অন্যান্য ব্র্যান্ডের দোকানে ২০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে বাজেট রাখলে সহজেই কেনা যাবে লেদার ব্রোগ ও লেদার অক্সফোর্ড জুতা। তবে পছন্দের মাত্রার উপর নির্ভর করে দামটাও চড়তে থাকে ব্র্যান্ড, দুষ্প্রাপ্যতা এবং ডিজাইনভেদে।




