সারাদিন মুন্সিগঞ্জের রাস্তায়-চত্বরে একটাই আলোচনা: তারেক রহমান ফিরে এসেছেন
মুন্সিগঞ্জ, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) জন্মভূমিতে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
লন্ডন থেকে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি অবতরণ করার পর থেকেই সারা দেশের মতো মুন্সিগঞ্জেও বইছে উৎসবের আমেজ।
জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের ব্যস্ত বাজার কিংবা চত্বর—সবখানেই আজ টক অব দ্য টাউন: ‘তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’।
সকাল থেকেই মুন্সিগঞ্জ সদর, সিরাজদিখান, শ্রীনগর, লৌহজং, টংগিবাড়ী ও গজারিয়া উপজেলার চায়ের দোকান ও হাট-বাজারগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
টেলিভিশন ও ফেসবুক লাইভে নিবিড় মনোযোগ সহকারে তারেক রহমানের ফেরার দৃশ্য উপভোগ করছেন সব বয়সী মানুষ।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই খবর নিয়ে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রিয় নেতাকে দেশে ফিরতে দেখে অনেক তরুণকে আবেগপ্রবণ হতে দেখা যায়।
বিমানবন্দরে নেমে তারেক রহমানের আবেগভরা কণ্ঠে কথা বলা এবং নিজ দেশের মাটি ছুঁয়ে দেখার মুহূর্তটি মুন্সিগঞ্জের মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে রেখাপাত করেছে।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়ক, গুলিতে শহীদ হওয়া শহীদ ওসমান হাদির প্রতি তারেক রহমানের সহমর্মিতা ও তাকে স্মরণ করার বিষয়টি স্থানীয় তরুণ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয় চত্বরগুলোতে প্রবীণদের অনেককেই দেখা গেছে গভীর মনোযোগ দিয়ে তারেক রহমানের ছবি ও ফেরার খবর পত্রিকার পাতা থেকে মনোযোগ সহকারে পড়ছেন।
চায়ের আড্ডায় অংশ নেওয়া স্থানীয় এক বয়োবৃদ্ধ বলেন, “তারেক ভাই ফিরে এসেছেন, এখন দেশে নতুন আশা জাগবে। আমরা চাই দেশে শান্তি ফিরুক এবং গণতন্ত্র শক্তিশালী হোক।”
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা, রয়টার্স, বিবিসি এবং দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে ‘সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীর ফেরা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
মুন্সিগঞ্জের সাধারণ মানুষও এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা জানান, ঢাকায় লাখো মানুষের গণসংবর্ধনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মুন্সিগঞ্জের প্রতিটি গ্রামে আনন্দ বিরাজ করছে।


