ঢাকা বিভাগে কবিতা আবৃত্তিতে প্রথম আমার বিক্রমপুরের হোস্ট জবা কর্মকার
৫৪

মুন্সিগঞ্জ, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগে কবিতা আবৃত্তিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মুন্সিগঞ্জের মেয়ে ও আমার বিক্রমপুরের পডকাস্ট ‘আমার কথা’র অন্যতম হোস্ট জবা কর্মকার।

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ‘ক’ বিভাগে অংশ নিয়ে ঢাকা বিভাগের সব জেলার প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে এ সাফল্য অর্জন করেন তিনি।

পাশাপাশি জবা মুন্সিগঞ্জের কণ্ঠকুঁড়ি আবৃত্তি একাডেমির প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী।

আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মিলনায়তনে আয়োজিত ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ের পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জবার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার এ আয়োজন করে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াছমিন বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা।

জবা কর্মকার মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবা গোপাল কর্মকার ও মা গীতা কর্মকার। তিনি সরকারি হরগঙ্গা কলেজের ইংরেজি বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি আবৃত্তিচর্চা ও উপস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।

টংগিবাড়ীর আড়িয়ল এলাকার একটি বিদ্যালয়ে আবৃত্তি প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জবা।

উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন জবার সাংস্কৃতিক প্রতিভা, অধ্যবসায় ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি। তাঁর এ অর্জনে আনন্দিত কণ্ঠকুঁড়ি আবৃত্তি একাডেমির প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা। একাডেমির পরিচালক ও জবার আবৃত্তি প্রশিক্ষক জিতু রায়ের তত্ত্বাবধানে আবৃত্তিচর্চা করে আসছেন তিনি।

বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে জবা কর্মকার বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত। মুন্সীগঞ্জ জেলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে প্রথম স্থান অধিকার করতে পেরেছি। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই আমার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি হরগঙ্গা কলেজের প্রতি। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ আমার আবৃত্তির প্রশিক্ষক কণ্ঠকুঁড়ি আবৃত্তি একাডেমির পরিচালক জিতু রায়ের কাছে। আপনারা সবাই আমার জন্য প্রার্থনা করবেন, যেন জাতীয় পর্যায়ে মুন্সিগঞ্জের সুনাম ধরে রাখতে পারি।”

বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম হওয়ার পর এবার জাতীয় পর্যায়েও সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা করছেন জবা। তাঁর এ অর্জন মুন্সিগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করেছে। জাতীয় পর্যায়েও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে জেলার সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে চান তিনি।

সংস্কৃতি অঙ্গনের সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, জবার এই সাফল্য জেলার অন্য তরুণ-তরুণীদের আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক চর্চায় উৎসাহিত করবে এবং জাতীয় পর্যায়েও মুন্সিগঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করবে।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ