জঙ্গি দমনে পুলিশের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য- মুন্সিগঞ্জে পুলিশের সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯৩

মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তিই নানা সংগঠনের নামে আত্মপ্রকাশ করে দেশে জঙ্গি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

তিনি আরো বলেন, জঙ্গিরা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিচ্ছে এবং ইসলাম ধর্মকে কলঙ্কিত করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন মুন্সিগঞ্জে বক্তব্য রাখছিলেন তখন মৌলভীবাজারে দুটি জঙ্গি অাস্তানা ঘিরে ছিলো পুলিশ।

বুধবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ যেমন ঝাপিয়ে পড়েছিলো, দেশের প্রয়োজনে জঙ্গি দমনে প্রধানমন্ত্রীর ডাকেও পুলিশ তেমনি জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে দুর্গ তৈরি করেন পুলিশ সদস্যরা, তাঁরা চাইলে সেদিন পালিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা সেদিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

‘২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে জঙ্গি দমনে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা এগিয়ে এসেছে। এক মা তাঁর ছেলেকে আত্নসমর্পণ করিয়েছেন। ২০১৬ সালে হলি আর্টিজন ও শোলাকিয়ায় ঈদ জামায়াতে জঙ্গি দমনে পুলিশের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, কমিউনিটি পুলিশের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- ‘জনতাই পুলিশ, পুলিশই জনতা’।
কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে পুলিশ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের অগ্রযাত্রার গতি ত্বরান্বিত করতে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ করে
দিতে হবে।

জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম ফুয়াদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলি, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফয়সাল বিপ্লব প্রমুখ।

নারীপুলিশ ব্যারাক ও ফাঁড়ি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তরঃ

এর আগে দুপুর ২টায় আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক জেলা পুলিশ লাইন্সে ছয়তলাবিশিষ্ট নারী ব্যারাক এবং সুপার মার্কেট এলাকার শ্রীপল্লী তে সদর ফাঁড়ি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তরের উদ্বোধন করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পুরো জেলা শহরকে ব্যানার, ফেস্টুন, আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। শহরজুড়ে নেওয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা। ৭০০ পুলিশের সমন্বয়ে তিনস্তরের নিরাপত্তা নেওয়া হয়।
এ দিন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং মহাসমাবেশের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় মাদকবিরোধী কনসার্টের। তবে বৃষ্টির কারনে মূল কনসার্ট স্থগিত করা হয়।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ