টঙ্গিবাড়ী হানাদারমুক্ত দিবস পালিত
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি হানাদার মুক্ত দিবসে আজ মঙ্গলবার বিজয় র্যালি, আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনাসহ নানা আয়োজন করা হয়েছিলো।
এই অঞ্চলের গৌরবোজ্জ্বল দিনটিকে ঘিরে ছিল উৎসবের আমেজ।
১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন থানাটি হানাদার মুক্ত হয়। বিবিসি সারা বাংলার প্রথম থানা হিসাবে টঙ্গীবাড়ি মুক্ত হওয়ার খবর প্রচার করে।
নানা কারণেই এই দিবসটির নানা তাৎপর্য রয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে বিজয় র্যালিটি উপজেলা পরিষদ থেকে বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা এবং মুক্তিযোদ্ধারে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমান, টঙ্গীবাড়ির ইউএনও মোহাম্মদ শহিদুল হক পাটোয়ারী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জগলুল হালদার ভুতু, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাসমুল হক, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মোহন, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ কাদের মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মোল্লা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এমিলি পারভীন প্রমুখ। উপজেলা পরিষদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও একুশ বিক্রমপুর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির ভাষণে জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমপি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাঙালি জাতির অহংকার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করেই জাতি এগিয়ে যাচ্ছে। তাই নতুন প্রজন্মের মাঝে এই বীরত্তগাথা ছড়িয়ে দেয়া প্রতিটি অভিভাবকের কর্তব্য।







