মুন্সিগঞ্জের বীর সন্তান শহীদ আবদুল হালিম জুয়েল: ক্রিকেট রেখে মুক্তিযুদ্ধে- লাশও পায়নি পরিবার
মুন্সিগঞ্জ, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ডেস্ক রিপোর্ট (আমার বিক্রমপুর)
ব্যাট হাতে যিনি প্রতিপক্ষের বোলারদের শাসন করতে চেয়েছিলেন, স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে নামার; সেই তরুণই একদিন ব্যাট-প্যাড সরিয়ে হাতে তুলে নিয়েছিলেন স্টেনগান। ক্রিকেটের মাঠে যাঁর হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের অন্যতম সেরা বাঙালি ওপেনার, তিনিই শেষ পর্যন্ত দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন।
তিনি আবদুল হালিম চৌধুরী জুয়েল—সবার প্রিয় শহীদ জুয়েল বীর বিক্রম। মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার দক্ষিণ পাইকশা গ্রামের এই বীর সন্তান ছিলেন একাধারে প্রতিভাবান ক্রিকেটার ও দুর্ধর্ষ গেরিলা যোদ্ধা। পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েও দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে কোনো আপস করেননি তিনি। ধারণা করা হয়, ১৯৭১ সালের ৩১ আগস্ট তাঁকে হত্যা করা হয়। তাঁর মরদেহেরও কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার।
১৯৫০ সালের ১৮ জানুয়ারি দক্ষিণ পাইকশা গ্রামে জন্ম নেন জুয়েল। বাবা আবদুল ওয়াজেদ চৌধুরী ও মা ফিরোজা বেগমের তিন ছেলে ও চার মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তবে তাঁর শৈশব-কৈশোরের বড় একটি সময় কেটেছে ঢাকার টিকাটুলির ৬/১ কে এম দাস লেনে বাবার বাড়িতে। ১৯৭১ সালে তিনি ছিলেন জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থী।
ব্যাট হাতে উঠে আসা এক প্রতিভা
ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি ছিল তাঁর প্রবল আকর্ষণ। আজাদ বয়েজ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু শহীদ মুশতাকের হাত ধরেই ক্রিকেটে তাঁর পথচলা শুরু। আক্রমণাত্মক ওপেনার হিসেবে দ্রুতই নজর কাড়েন তিনি। পাশাপাশি উইকেটকিপার হিসেবেও ছিল তাঁর দক্ষতা।
১৯৬৬ সালের ২১ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্টের বিপক্ষে ঢাকার হয়ে ম্যাচ দিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় জুয়েলের। প্রথম ইনিংসে করেন ৩৮ রান, দ্বিতীয় ইনিংসে ৪। দুই দলের মধ্যে সেটিই ছিল সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।
এরপর একই বছর হায়দ্রাবাদের নিয়াজ স্টেডিয়ামে ইস্ট পাকিস্তানের হয়ে কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে কোয়েটার বিপক্ষে খেলেন। প্রথম ইনিংসে ৪ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ২৯ রান। ম্যাচটি ইস্ট পাকিস্তান জেতে পাঁচ উইকেটে।
১৯৬৯ সালে করাচি হোয়াইটের বিপক্ষে ৫ ও ২৭ রান, খায়েরপুরের বিপক্ষে ১৫ এবং হায়দ্রাবাদ হোয়াইটের বিপক্ষে ১২ ও ৯ রান করেন তিনি। ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে ইস্ট পাকিস্তান হোয়াইটের হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে খেলেন জীবনের অন্যতম সেরা ম্যাচ। প্রথম ইনিংসে ৪৭ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৬৫ রান। সাতটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ২৫৯ রান, গড় ২১.৫৮।
১৯৭০-৭১ মৌসুমে ঢাকা লিগেও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন জুয়েল। কারদার সামার ক্রিকেটে করেছিলেন সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের নিউজিল্যান্ড সফরের সময় জাতীয় দলের ক্যাম্পেও ডাক পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মূল দলে জায়গা হয়নি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেটেও অবাঙালিদের প্রাধান্যের কারণে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও জুয়েলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি।
তাঁর প্রিয় শট ছিল স্লগ সুইপ। ব্যাট হাতে তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং দেখে পাকিস্তানের এক ক্রিকেটার নাকি মন্তব্য করেছিলেন—এই ছেলে পূর্ব পাকিস্তানে কেন, তাঁর তো পাকিস্তানের হয়ে ওপেন করার কথা।
কিন্তু ইতিহাস তাঁকে অন্য এক দায়িত্বের জন্য বেছে নিয়েছিল। ২৫ মার্চ বদলে দিল সবকিছু
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার পর পাল্টে যায় জুয়েলের জীবন। এর আগে ২৭ মার্চ তিনি খুঁজতে বেরিয়েছিলেন তাঁর প্রিয় বন্ধু ও আজাদ বয়েজের প্রতিষ্ঠাতা মুশতাককে।
ঢাকা জেলা ক্রীড়া পরিষদ ভবনের সামনে গিয়ে দেখতে পান মুশতাকের গুলিবিদ্ধ নিথর দেহ পড়ে আছে। যে বন্ধুর হাত ধরে ক্রিকেটের জগতে তাঁর পথচলা, সেই বন্ধুর রক্তাক্ত দেহ যেন জুয়েলের ভেতরের আগুনকে আরও প্রজ্বলিত করে।
ক্রিকেট ব্যাট ও উইকেটকিপিং গ্লাভসের বদলে হাতে উঠে আসে স্টেনগান।
তবে মায়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল গভীর। মা ছেলেকে যুদ্ধে যেতে দিতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত মাকে না জানিয়ে বাড়ি ছাড়ার আগে নিজের একটি ছবি বাঁধিয়ে রেখে যান। মাকে বোঝান, তাঁকে মনে পড়লে যেন ছবিটির দিকে তাকান।
এরপর দেশ ছাড়েন জুয়েল। ভারতের ত্রিপুরার মেলাঘরে গিয়ে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ নেন। মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফিরে যোগ দেন দুর্ধর্ষ ক্র্যাক প্লাটুনে।
স্টেনগান হাতে আরেক জুয়েল
ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য হিসেবে জুয়েল ঢাকাকেন্দ্রিক একাধিক গেরিলা অপারেশনে অংশ নেন। ফার্মগেট, এলিফ্যান্ট রোডের পাওয়ার স্টেশন, যাত্রাবাড়ী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে চালানো অভিযানে তাঁর সাহসিকতার পরিচয় মেলে।
একপর্যায়ে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে অভিযানের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর পাল্টা আক্রমণে গুরুতর আহত হন তিনি। গুলিতে তাঁর ডান হাতের আঙুলগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আহত অবস্থাতেও ক্রিকেটের স্বপ্ন ছাড়েননি জুয়েল। সহযোদ্ধা ও স্বজনদের কাছে তাঁর একটাই আকুতি ছিল—দেশ স্বাধীন হলে তিনি আবার ব্যাট হাতে মাঠে নামতে পারবেন তো?
এক সহযোদ্ধার স্মৃতিতে উঠে এসেছে, চিকিৎসার সময় জুয়েল চিকিৎসককে অনুরোধ করেছিলেন তাঁর আঙুলগুলো যেন রক্ষা করা হয়। তাঁর স্বপ্ন ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের হয়ে ওপেন করা, এমনকি স্বাধীন বাংলার অধিনায়ক হওয়া।
যে হাত দিয়ে এতদিন স্লগ সুইপে বল উড়িয়ে দিয়েছেন সীমানার বাইরে, সেই হাতই তখন দেশের জন্য রক্তাক্ত।
২৯ আগস্ট আটক, এরপর আর ফেরেননি
সিদ্ধিরগঞ্জের অভিযানে আহত হওয়ার পর জুয়েল সহযোদ্ধা আজাদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগীরা তাঁর অবস্থান জেনে যায়।
২৯ আগস্ট রাতে বড় মগবাজার এলাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন জুয়েল। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে।
শুরু হয় নির্মম নির্যাতন। সহযোদ্ধাদের তথ্য জানার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া হয়। দেওয়া হয় নানা ধরনের প্রলোভনও। এমনকি পাকিস্তান দলের হয়ে ওপেনিং করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে বিভিন্ন বর্ণনায় উঠে এসেছে।
কিন্তু যে তরুণের স্বপ্ন ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে মাঠে নামা, সে কীভাবে পাকিস্তানের হয়ে খেলবে?
জুয়েল কোনো তথ্য দেননি।
নির্যাতনের একপর্যায়ে তাঁর ডান হাতের আঙুল কেটে ফেলার কথাও বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে—যে হাত দিয়ে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের হয়ে আর কোনোদিন ব্যাট ধরতে না পারেন, সেই নিষ্ঠুর উদ্দেশ্যেই।
শেষ পর্যন্ত ৩১ আগস্ট তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তাঁর লাশও পরিবার ফিরে পায়নি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বপ্ন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন
জুয়েলের ক্রিকেট জীবন ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সম্ভাবনায় ভরপুর। প্রথম শ্রেণির সাত ম্যাচে ২৫৯ রান হয়তো পরিসংখ্যানের বিচারে বিশাল কিছু নয়। কিন্তু তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি ক্রিকেটারদের জন্য সেটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
তাঁর ক্রিকেটজীবনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ না পাওয়া। অথচ প্রতিভা, আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও দলীয় ক্রিকেটে তাঁর অবস্থান তাঁকে জাতীয় দলের সম্ভাব্য একজন খেলোয়াড়ে পরিণত করেছিল।
যুদ্ধ না হলে হয়তো জুয়েলকে আমরা পাকিস্তানের জার্সিতে দেখতে পেতাম। হয়তো স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম দিককার জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যাটসম্যান হতেন। হয়তো তাঁর হাতে উঠত বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দায়িত্বও।
কিন্তু ইতিহাসের নির্মম বাস্তবতায় তিনি ক্রিকেটের বদলে বেছে নেন যুদ্ধ।
ক্রিকেটারদের প্রতিবাদেও ছিল স্বাধীনতার ছাপ
১৯৭১ সালে ক্রিকেট শুধু মাঠের খেলা ছিল না; হয়ে উঠেছিল প্রতিবাদেরও একটি ভাষা। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে ক্রিকেট ম্যাচ বয়কট থেকে শুরু করে ক্রিকেটারদের সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ—সবকিছুতেই ছিল স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা।
রকিবুল হাসান পাকিস্তানের হয়ে ঢাকায় খেলতে নেমেছিলেন ব্যাটে ‘জয় বাংলা’ স্টিকার লাগিয়ে। পরে তিনিও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। শাফায়াত জামিল ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও বীর বিক্রম। তানভীর মাজহার তান্না, নূরন্নবী ওরফে মুন্না, কাজী সালাউদ্দিন, নওশেরুজ্জামানসহ আরও কয়েকজন ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত মানুষও মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে ভূমিকা রাখেন।
তবে জুয়েলের গল্প আলাদা। তিনি শুধু ক্রিকেট ছেড়ে যুদ্ধে যাননি; যুদ্ধের ময়দানেও বুকের মধ্যে বয়ে বেড়িয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্বপ্ন।
রাষ্ট্র ও ক্রিকেটের স্বীকৃতি
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে জুয়েলের আত্মত্যাগের কথা প্রচার করা হয়। পরে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত করে। ১৯৭৩ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী তাঁর বীরত্বভূষণ সনদ নম্বর ১৪৮। ১৯৯৭ সালে তাঁকে মরণোত্তর জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারও দেওয়া হয়।
তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ডের নাম রাখা হয়েছে শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড। তাঁর প্রিয় বন্ধু শহীদ মুশতাকের নামেও রয়েছে একটি স্ট্যান্ড। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় শহীদ জুয়েল-শহীদ মুশতাক স্মৃতি প্রীতি ম্যাচ।
তবু পরিবারের কাছে কিছু আক্ষেপ রয়ে গেছে। শহীদ জুয়েলের বোন সুরাইয়া খান একসময় বলেছিলেন, শুধু একটি প্রীতি ম্যাচ বা ছোট একটি সাইনবোর্ডে তাঁর স্মৃতি সীমাবদ্ধ না রেখে মিরপুরে তাঁর একটি ভাস্কর্য থাকা উচিত।
লাশ না পেলেও ইতিহাস তাঁকে ভুলেনি
শহীদ জুয়েলের পরিবার তাঁর মরদেহ পায়নি। তাঁর শেষ কবর কোথায়, সেটিও অজানা। কিন্তু একজন মানুষের অস্তিত্ব কি শুধু তাঁর কবরের মাটিতে?
জুয়েল বেঁচে আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে। বেঁচে আছেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে। বেঁচে আছেন মিরপুরের স্ট্যান্ডে, ১৬ ডিসেম্বরের স্মৃতি ম্যাচে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি ক্রিকেটারের ব্যাটে।
একসময় যে তরুণ স্বপ্ন দেখতেন স্বাধীন বাংলাদেশের হয়ে ওপেন করবেন, তিনি আর কোনোদিন লাল-সবুজের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে পারেননি।
কিন্তু তাঁর রক্তেই যেন লেখা হয়ে গেল বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রথম দিকের সবচেয়ে সাহসী গল্পগুলোর একটি।
ক্রিকেটের মাঠে যাঁর ব্যাট কথা বলত, মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে তাঁর স্টেনগানও কথা বলেছিল।
মুন্সিগঞ্জের দক্ষিণ পাইকশার সেই সন্তান আবদুল হালিম চৌধুরী জুয়েল তাই শুধু একজন শহীদ ক্রিকেটার নন—তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রিকেটস্বপ্নের এক অমর প্রতীক, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জাতির গর্বিত সন্তান।









