বিক্রমপুরের গর্ব জাকিয়া মুন
388

আন্তর্জাতিক মানের সুন্দরী খোঁজার প্রতিযোগিতা ‘কেয়াশেঠ মিস অদ্বিতীয়া বাংলাদেশ-২০১২’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন বিক্রমপুরের মেয়ে মুন। পেশাগতভাবে তিনি ডাক্তার । বিক্রমপুরের একাধিক উপজেলার শত শত অসহায় দুস্থ অসহায় মানুষদের ফ্রী চিকিৎসা দিয়ে চলেছেন প্রতিনিয়ত।

এছাড়া তিনি মিডিয়ার কাজেই আদ্যোপান্ত নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন।

পাঁচ ফুট সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি উচ্চতার মুনের পুরো নাম জাকিয়া মুন। তিন বোনের মধ্যে মুনের অবস্থান দ্বিতীয়। পিতাঃ আলী আকবর ও মাতা জহুরা খাতুনের কন্যা মুন । তাঁর জন্ম ২১ ডিসেম্বর। তাদের গ্রামের বাড়ী মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় ।

তিনি ‘কেয়াশেঠ মিস অদ্বিতীয়া বাংলাদেশ-২০১২’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হবার পর থেকে এরইমধ্যে অনেক নাটক ও টেলিফিল্মে কাজ করেছেন ।

নিজেকে চলচ্চিত্রের একজন নায়িকা হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করতে চান সদা হাস্যোজ্জ্বল মুন। মিস অদ্বিতীয়ায় চ্যাম্পিয়ন হবার পর এর পাশাপাশি একই প্রতিযোগিতায় মুন ‘বেস্ট কেটওয়াক’ এবং ‘বেস্ট ফটোজেনিক’ হিসেবেও এ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। কমলচৌধুরীর নির্দেশনায় মুন প্রথম তৌকীর আহমেদের বিপরীতে নাটকে অভিনয় করেন।

এরপর জাহিদ হাসানের বিপরীতে সুস্ময় সুমনের ‘ব্যাক টু দ্যা প্যাভিলিয়ন’, হাসান মাসুদ ও শাহেদের
বিপরীতে এস এ খালেক রিন্টুর ‘কষ্টের গায়ে লাল জামা’, শাহেদের বিপরীতে ছটকু আহমেদের ‘শেকড়’ ও আমির হোসেন রনির নির্দেশনায় ‘খেলাঘর’ নাটকে অভিনয় করেন ।বিক্রমপুরের এই গুণী মেয়েটির জন্য রইলো অনেক অনেক দোয়া ও শুভ কামনা । জাকিয়া মুন আমাদের বিক্রমপুরের গর্ব আমাদের অহংকার । জাকিয়া মুনের সফলতা কামনা করছি ।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ