দূরত্ব কমেছে, ভাড়া কমেনি কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌ-রুটের
151

মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি, ৭৬টি লঞ্চ ও দুই শতাধিক স্পীডবোটে প্রতিদিন ৫০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন।

কিন্তু নৌরুটের দূরত্ব ৫ কিলোমিটার কমলেও কমেনি ফেরি, লঞ্চ ও স্পীডবোটের ভাড়া।

এতে ক্ষুদ্ধ এ নৌরুটে যাত্রী ও চালকরা।

এদিকে মন্ত্রণালয়ের ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে ফেরি, লঞ্চ ও স্পীডবোট মালিকেরা।

তবে, ফেরি ভাড়া কমানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের যাতায়াতের অন্যতম নৌপথ হিসেবে কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুট চালু হয়। এই নৌরুটের কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটটি গত ১৫ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কাঁঠালবাড়িতে স্থানান্তর করে সরকার। ফেরিঘাটটি স্থানান্তরের ফলে এই নৌরুটে পদ্মা নদীর দুরত্ব দাঁড়িয়েছে ১৩ থেকে ৮ কিলোমিটারে।

এতে একদিকে যেমন সাশ্রয়ী হচ্ছে জ্বালানি তেলের, অন্যদিকে মাত্র ৪০ মিনিটেই সম্ভব হচ্ছে পদ্মা নদী পাড়ি দেয়া। কিন্তু ফেরিতে সেই আগেরই নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করতে হচ্ছে যানবাহন চালকদের। নৌপথের দূরত্ব ৫ কিলোমিটার কমলেও লঞ্চ ভাড়া ৩৫ টাকা ও স্পীডবোট ভাড়া দেড়শ’ টাকা বহাল রয়েছে। এতে ক্ষোভ জানিয়ে দ্রুত ভাড়া কমানোর দাবি যাত্রী ও চালকদের।

এই নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রী বিমল মণ্ডল বলেন, ‘নৌপথের দুরত্ব কমলেও সরকার এখনো ভাড়া কমাচ্ছে না। আমরা দ্রুত নৌপথের দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া কমানোর দাবি জানায়।’

ট্রাক চালক ইকরাম হোসেন বলেন, ‘নৌপথ ১৩ থেকে ৮ কিলোমিটারে এসে দাঁড়িয়েছে, এতে জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হলেও ভাড়া কমানো নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই। সরকারের কাছে জোর দাবি দ্রুত ফেরি ভাড়ার পাশাপাশি এই নৌরুটে চলাচলকারী নৌযানের ভাড়া কমানো হোক।’

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি বিএম আতাউর রহমান বলেন, ‘ভাড়া কমানোর বিষয়ে আমাদের কোনো হাত নেই। মন্ত্রণালয় যদি ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত দেয়, আমরা সেই অনুযায়ী ভাড়া নিবো।’

কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক শেখ রুহুল আমিন বলেন, ‘ফেরি ভাড়া কমানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নিবে। আমরা তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। তারা যদি ভাড়া কমাতে বলে, আমরা ভাড়া কমিয়ে দিবো। এ বিষয়ে ঘাট কর্তৃপক্ষের কোনো হাত নেই।’

তবে ভাড়া কমানো নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘কয়েক দফা জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই সময়ে ফেরি ভাড়া বাড়ানো হয়নি। তাই এখন নৌপথের দূরত্ব কমলেও ফেরি ভাড়া কমানোর কোনো সুযোগ নেই। আর লঞ্চ ও স্পীডবোটের ভাড়া কমানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকদের সাথে বসে সিন্ধান্ত নেয়া হবে।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ