১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
মঙ্গলবার | দুপুর ১২:৩৩
শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ মহসিনা হক কল্পনার (ভিডিওসহ)
খবরটি শেয়ার করুন:
94

সদর উপজেলার মোল্লাকান্দিতে শিক্ষকের কাছে চাদা দাবির সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর এবার শিক্ষকের বিরুদ্ধেই বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষক নূর মোহাম্মদ জামায়াতের রাজনীতির সাথে যুক্ত। বিগত ইউপি নির্বাচনে তার ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি মোল্লাকান্দিতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। এছাড়াও সে বিভিন্ন নারী কেলেংকারীর সাথে যুক্ত। এ নিয়ে এলাকায় কয়েকবার সালিশ-বিচারও হয়েছে। বিচার তার বিপক্ষে যাওয়ায় সে এখন একটি বিশেষ মহলের যোগসাজশে অামাকে ও অামার পরিবারকে সমাজের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করতে নিজের শিক্ষক ইমেজকে ব্যবহার করে মাঠে নেমেছে।

মহসিনা হক কল্পনার ছেলে কানন দেওয়ানের বিরুদ্ধে ২লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অামার ছেলে ইতালী প্রবাসী। তার সেখানে রেষ্টুরেন্টের ব্যবসা। প্রতি মাসে সে ১৪-১৫ লাখ টাকা অায় করে। সে প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সন্তান, তার বাড়তি অায়ের দরকারই নেই। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

এদিকে নূর মোহাম্মদের ভাগিনা সোহাগ মোল্লা ‘অামার বিক্রমপুর’-কে জানান, তাদের মালিকানা জমিতে নূর মোহাম্মদ জোরপূর্বকভাবে একটি বেসরকারি স্কুল নির্মাণ করেন। এর বিরোধীতা করায় নূর মোহাম্মদ বিভিন্নভাবে তাদের উপর অত্যাচার-নির্যাতন চালান। এ বিষয়টি তারা ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা ও তার ছেলে কানন দেওয়ানকে মীমাংসার উদ্দেশ্যে অবগত করেন। মূলত এ বিষয়টি নিয়েই নূর মোহাম্মদের সাথে কানন দেওয়ান ও তার দুই সহযোগীর কথা হয়। পরবর্তীতে মীমাংসিত ২লাখ টাকা বুঝিয়ে দিতেই শিক্ষক নূর মোহাম্মদকে মোবাইল ফোনে চাপ দেন কানন দেওয়ান।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষক নূর মোহাম্মদ সরকারি স্কুলের শিক্ষক হলেও সেখানে নিয়মিত ক্লাস করান না। তার মালিকানাধীন বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন এই বেশি সময় দেন। এছাড়া বাংলাবাজার ইউনিয়নের একজন শিক্ষার্থীর সাথে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে এর পূর্বে শিক্ষক নূর মোহাম্মদ এর বিরুদ্ধে বিচার-শালিস ও হয়।