১১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
বৃহস্পতিবার | দুপুর ১২:০৩
মোল্লাকান্দি মার্ডার: আরিফ মীরের পরে আবার কে?
খবরটি শেয়ার করুন:
415

মুন্সিগঞ্জ, ১০ নভেম্বর ২০২৫, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দের জেরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে আরিফ মীর (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর রাতে নিজ এলাকায় জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘিরে পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে নির্বাচন পরবর্তী দ্বন্দ ও আগামী ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রার্থীতা নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ রায়হান ও ফ্রান্স প্রবাসী বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম মোল্লার সমর্থকদের বিরোধ থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত।

ঘটনার সময়কার একাধিক ভিডিও বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও: 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সোমবার ভোরে সাড়ে পাঁচটা থেকে ওয়াহিদ রায়হান, আতিক মল্লিক ও রহিম মোল্লাদের সমর্থক আওয়ামী লীগ নেতা (স্থানীয়ভাবে পরিচিত) ইউসুফ ফকির, জাহাঙ্গীর, শাহ কামাল, শাহ আলম, শাকিল, হোসেন মিয়া ও জিন্নত মীরদের একটি দল দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে চর ডুমুরিয়া এলাকায় হামলা চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান আরিফ।

নিহত আরিফ মীর ৩ মেয়ে সন্তানের জনক। তিনি চর ডুমুরিয়া গ্রামের খবির মীরের পুত্র। পেশায় দিনমজুর।

আহত ব্যক্তির নাম ইমরান খান (২২)। তিনি একই এলাকার আক্তার খানের ছেলে। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

একই ইউনিয়নে গত ৩ নভেম্বর তুহিন দেওয়ান নামের আরেক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফিরোজ কবির বিকালে জানান, এ ঘটনার পর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় অনেকে পালিয়ে যায়। এসময় কয়েকটি ‍গুলির খোসা উদ্ধার হয়েছে। নিহতের ঘটনায় স্বজনরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে সকালে সংঘর্ষের পর বিকালে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেয় যৌথবাহিনী।