মুন্সিগঞ্জে মহাসড়কের পাশে গার্ড- কর্মকর্তাদের বেঁধে প্রতিষ্ঠানের মালামাল লুটের অভিযোগ
30

মুন্সিগঞ্জ, ১১ জুলাই ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অস্ত্রের মুখে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি গার্ড ও কর্মকর্তাদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে।

দুর্বৃত্তরা দুটি ট্রাকে করে লোহার পাইল, পাইপ ও রডসহ প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের মুসলিমনগর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লামুখী লেনে অবস্থিত উষা এগ্রো ফার্ম প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে উষা এগ্রো ফার্মের একটি জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী সংরক্ষণ করছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দি জিয়া অ্যান্ড ব্রাদার।

ঘটনার সময় গেটে দায়িত্বে থাকা সিকিউরিটি গার্ড রিপন মিয়া জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পকেট গেট দিয়ে হঠাৎ ৭ থেকে ৮ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি ভেতরে প্রবেশ করে। তাদের হাতে পিস্তল ও রামদা ছিল। তারা গেটে থাকা দুই নিরাপত্তাকর্মীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে আরও ১০ থেকে ১২ জন সেখানে প্রবেশ করে সবাইকে একটি কনটেইনারের ভেতরে আটকে রাখে।

প্রতিষ্ঠানটির সাইট ইনচার্জ মো. ফরিদুর রেজা বলেন, নামাজ শেষে গেটে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ৪ থেকে ৫ জন আমাকে ঘিরে ধরে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে কনটেইনারের জানালা দিয়ে দেখি দুটি ট্রাকে করে মালামাল নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। লুট হওয়া মালামালের মধ্যে লোহার পাইল, পাইপ ও রড ছিল। এসবের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা।

দি জিয়া অ্যান্ড ব্রাদারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেন দুলাল বলেন, আমরা দেশের বিভিন্ন স্থানে সেতু ও ভবনের পাইলিংসহ বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ করে থাকি। কাজ শেষে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী সংরক্ষণের জন্য প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে জায়গাটি ভাড়া নিয়েছি। মহাসড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। পুলিশ আন্তরিকভাবে তদন্ত করলে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাব্বির হোসেন বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ডাকাতির অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি, জড়িতদের শনাক্ত ও আটকসহ প্রকৃত ঘটনা দ্রুত উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ