১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার | বিকাল ৪:০৯
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
মুন্সিগঞ্জে আ. লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কাউন্সিলরের ভাইসহ আহত ৩৫
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, নিজস্ব প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জ শহরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মকবুল হোসেনের বড় ভাই ও গজারিয়া উপজেলা থেকে আগত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন বলে উভয়পক্ষ দাবি করেছে।

শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার আয়োজনে মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের সভাপতিত্বে সুপার মার্কেট সংলগ্ন কৃষি ব্যাংক এলাকায় দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এতে সদর ও গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আগত মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয় পুরো এলাকা।

বিকাল ৫ টার দিকে কাউন্সিলর মকবুল হোসেন ও গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ জিন্নাহর লোকজনের মধ্যে হাটলক্ষীগঞ্জ এলাকায় কথা কাটাকাটির জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কাউন্সিলর মকবুল হোসেন অভিযোগ করে জানান, গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ জিন্নাহর লোকজন লঞ্চঘাটে নেমেই মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসকে গালিগালাজ করতে থাকলে আমার ভাই এর প্রতিবাদ করেন। এর জের ধরেই তারা আমার ভাইসহ তার সাথে থাকা অন্তত ১০জনকে পিটিয়ে আহত করে।

গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ জিন্নাহ বলেন, এমপি মৃণাল কান্তি দাসের নির্দেশে আমার লোকজনের উপর কাউন্সিলর মকবুলের লোকজন অতর্কিত হামলা করে আমার পক্ষের অন্তত ২৫জনকে আহত করেছে। এর মধ্যে ২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত অবস্থায় কাউন্সিলর সমর্থক আব্দুল মালেক (৫০), মো. জামাল (৩৫), সোহাগ (৩৮), রাসেল (২৬), সাদ্দাম (৩০) ও আফসার হোসেনকে (৫০) মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া জিন্নাহর পক্ষের জামাল মেম্বার, পরিমল, শিবলু, পারভেজ আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। আহত কাউন্সিলর মকবুল হোসেনের ছোট ভাই মনির হোসেনকে (৪৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার মাথায় আঘাত লেগেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম  বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এসময় লাঠিচার্জও করা হয়। তখন উভয়পক্ষের লোকজন সরে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ হয়নি বা কাউকে আটকও করা হয়নি।

error: দুঃখিত!