১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
শনিবার | সন্ধ্যা ৭:৫২
বড় ধরনের নাশকতার ছক কষছিল সাকিব-ফাহিম
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ১ মার্চ, ২০২০, বিশেষ প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

এ বছরের ৩০ জানুয়ারি ও ১৩ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার ও সিলেট থেকে মো. আবু রায়হান লিমন, সাইফুল্লাহ নাঈম ও নাবিল চোকদার এবং শাফাত আহাম্মদ চৌধুরী ওরফে সাফাত নামের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম এর আত্মঘাতী চার সদস্যকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ২।

সে সূত্র ধরে র‌্যাব ২ ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পাবনা সদর থানাধীন চরঘোষপুর হতে সাকিব আল ইমতিহান (২১) ও পাবনা শহরের নিউমার্কেট সংলগ্ন দিলালপুর হতে নাজমুস সাদাত ফাহিম (২০)-কে গ্রেপ্তার করে।

মুন্সিগঞ্জ ও সিলেট থেকে গ্রেপ্তার ৪ জঙ্গির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাকিব আল ইমতিহান ও নাজমুস সাদাত ফাহিমকে নজরদারিতে রেখেছিল র‌্যাব।

তাদের অবস্থান নিশ্চিত হবার পর শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে উভয়ের কাছ থেকে ৪৪টি উগ্রবাদী বই, জঙ্গিদের প্রশিক্ষণসংক্রান্ত ট্রেনিং ম্যানুয়েল, ৩টি মোবাইলসহ বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত সাকিব আল ইমতিহান ও নাজমুস সাদাত ফাহিম নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম এর সাথে সরাসরি যুক্ত। 

অভিযানকালে উভয়ের নিকট থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলসহ অন্যান্য ডিভাইসে জঙ্গিবাদের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে তারা জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটাচ্ছিল। ধৃত আসামি সাকিব আল ইমতিহান ও নাজমুস সাদাত ফাহিম বড়ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা আঁটছিল।

আসামিরা ধর্মভীরু সহজ-সরল ও শান্তিপ্রিয় যুবতীদের টার্গেট করে উগ্রবাদী কার্যক্রমে সম্পৃক্তসহ নাশকতাসৃষ্টিতে উদ্ভুদ্ধ করে দেশের আইনশৃঙ্খলা বিনষ্ট, জনসংহতি, নিরাপত্তা ও জনমনে ত্রাস সৃষ্টির প্রয়াস চালিয়ে আসছিল।

error: দুঃখিত!