জুয়েলের মুখে অপহরণের লোমহর্ষক বর্ণনা
২১৫

মুন্সিগঞ্জ ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, আরাফাত রায়হান সাকিব (আমার বিক্রমপুর)

অপহরণের ৫দিন পর মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমের আবু সালেহ জুয়েল নামের এব যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় কুমিল্লা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

জুয়েল মিরকাদিম পৌরসভার উত্তর কাগজীপাড়া এলাকার সালাউদ্দিন আহম্মেদের পুত্র।

গত ১১ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের পাগলা জনতা ব্যাংক থেকে ২লক্ষ টাকা উত্তোলন করে বের হয়ে ব্যাটারি চালিত অটো গাড়িতে উঠলে অপহরণের স্বীকার হয় সে।

পরে ১৭ই ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার হক সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পরবর্তীতে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জুয়েলকে বর্তমানে ভর্তি করা হয়েছে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জুয়েল জানান, ‘আমি ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বের হয়ে তারপর রাস্তায় অটোতে উঠলাম, এরপর আর কিছুই মনে নেই। চোঁখ খুলে দেখি একটা অন্ধকার রুমে আমাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে, আমার সাথে থাকা টাকা নেই। পাচঁদিন আমাকে আটকে রাখে মারধর করে কিছু লোকজন। তাদের মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিলো। পরের দিন আমাকে চোঁখ বেঁধে একটি গাড়িতে উঠানো হয়।’

‘তখন আমি মনে করেছি আমাকে ওড়া মেরেই ফেলবে।’

‘আনুমানিক কয়েক ঘণ্টা পরে আমাকে গাড়ি থেকে নামানো হয়, এসময় আমার চোঁখ খুলে দেওয়া হলে একটি নির্জন রাস্তায় দূরে একটি বাতি জ্বলছিল দেখতে পাই। হঠাৎ অপহরণকারীদের একজন ছুরি বের করে আমার পেটে মারতে নিলে আমি বাম হাত দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করলে ছুরির আঘাত আমর বাম হাতে লাগে। আমি জীবন বাঁচাতে লাইটের দিকে দৌড় দিলে ওরা তখন গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যায়।’

‘পরে হক ফিলিং ষ্টেশনে পৌছালে একজন লোকের মোবাইল দিয়ে প্রথমে মা, পরে বৌকে কল করি কিন্তু কেও ফোন ধরেনি। পরে ওই লোকের মোবাইল দিয়ে চাচাতো ভাইয়ের মোবাইল নম্বর নিয়ে কল করি। ভাইকে আমার ঠিকানা দেই। বেশ কিছুক্ষন পরে পুলিশ এসে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

এদিকে এর আগে জুয়েলের সন্ধান না পেয়ে ফতুল্লা থানায় স্ত্রী হাবীবা ও কর্মরত প্রতিষ্ঠান সাজু এন্টারপ্রাইজ থেকে পৃথক দুইটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ