২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
বুধবার | রাত ১:১৮
ইতিহাস গড়া ‘দ্য লায়ন কিং’ এবার ঢাকায়
খবরটি শেয়ার করুন:

দীর্ঘ ২৫ বছর পর আবার হলিউডের পর্দায় ফিরে এসেছে ‘দ্য লায়ন কিং’। গত ১৯ জুলাই আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে চলচ্চিত্রটি।

১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটির রিমেক করেছে ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্স। বাংলাদেশের দর্শকরা ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি দেখতে পাবেন ২৬ জুলাই থেকে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন স্টার সিনেপ্লেক্সের বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন।

এরইমধ্যে ভারতে দারুণ সাড়া ফেলেছে ‘দ্য লায়ন কিং’। ভারতে চারটি ভাষায় মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি প্রথম দিনেই আয় করেছে ১১.০৬ কোটি রুপি। ভারতজুড়ে মোট ২১৪০টি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে হিন্দি, ইংরেজি, তামিল ও তেলেগু ভাষায়।

মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি ‘স্পাইডার-ম্যান: ফার ফ্রম হোম’র রেকর্ড (১০.৬ কোটি রুপি) ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বব্যাপি মুক্তির প্রথম দিনের উপার্জনের হিসাবে ডিজনির ক্লাসিক সিনেমা ‘দ্য জাঙ্গল বুক’ (১১.৬ মিলিয়ন ডলার) এবং ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’কে (১২.৪ মিলিয়ন ডলার) ছাড়িয়ে গেছে ‘দ্য লায়ন কিং’ (১৪.৫ মিলিয়ন ডলার)।

ছবির হিন্দি ভার্সনে থাকছেন বলিউডের কিং খান শাহরুখ। ‘লায়ন মুফাসা’ হবেন শাহরুখ খান আর লায়ন মুফাসার ছেলে, মূল চরিত্র ‘লায়ন সিম্বা’ হবেন শাহরুখের ছেলে আরিয়ান খান। তবে তাদেরকে দেখা যাবে না। কারণ, মুফাসা আর সিম্বার চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন শাহরুখ আর জুনিয়র শাহরুখ।

বলিউড হাঙ্গামাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ খান বলেন, ‘আমার পুরো পরিবারের হৃদয়ের বিশেষ একটা জায়গায় “দ্য লায়ন কিং” ছবির স্থান। বাবা হিসেবে আমি সিম্বার প্রতি তাঁর বাবা মুফাসার স্নেহ আর ভালোবাসা অনুভব করতে পারি। এই আইকনিক চরিত্র দুটির সঙ্গে আমি আর আমার সন্তান যুক্ত হতে পেরে দারুণ খুশি। শাহরুখ খান ও আরিয়ান খানকে এই ছবিতে যুক্ত করতে পেরে আনন্দিত ডিজনি ইন্ডিয়ার প্রধান বিক্রম দুজ্ঞাল।

তার মতে, বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাবা আর ছেলেকে এত বড় ছবির দুই আইকনিক চরিত্র মুফাসা আর সিমবারূপে দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করবেন।

চলচ্চিত্রটির প্রথম মুক্তির ইতিহাসটি বর্ণাঢ্য। এই মিউজিক্যাল অ্যানিমেশন ছবির সিংহ ‘সিমবা’ দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নেয় আপনজনের মতো। ৩৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছবিটি বক্স অফিসে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকা ব্যবসা করে। আর হলিউডের ইতিহাসের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবির তালিকায় স্থান করে নেয় ছবিটি।

মাত্র ৮৮ মিনিট দৈর্ঘের এই ছবি ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় চলচ্চিত্র নিবন্ধনের ‘লাইব্রেরি অব কংগ্রেস’-এ স্থান করে নেয়। সেখানে এই ছবি সম্পর্কে লেখা হয়, ‘সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং শৈল্পিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ।’ শুধু তাই নয়, দু’টি অস্কারও ঘরে তুলেছে ছবিটি।

error: দুঃখিত!