মাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পরিদর্শন করে গেলেন ওবায়দুল কাদের
154

আগামীকাল পদ্মা সেতু পরিদর্শনে আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের টোলপ্লাজার কাছে কাল এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। সেতু পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী ওই সমাবেশে যোগ দেবেন।

আজ শনিবার বিকেল ৩টার দিকে এই সমাবেশের মঞ্চ পরিদর্শন করেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এমন একটা সময় ছিল। যখন হলি আর্টিজান হামলার পর পদ্মা সেতুতে হামলার ষড়যন্ত্র ছিল। সে সময় সেখানে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি, আমাদের কতটা কাজে লেগেছে, সেটা আমি বাস্তবে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। কনসালট্যান্টরা থাকবে না, বিদেশিরা চলে যাবে । এ রকম একটা প্রতিকূলতার মুখে, সেনাবাহিনী তাদের সাহস জুগিয়েছিল। বাস্তবের এই সত্যটাকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’

পদ্মা সেতু নির্মাণে নদীর দুই পারের মানুষদের অবদানের কথা স্বীকার করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সর্বোপরি পদ্মা পারের মানুষ, এ পারের মানুষ, ও পারের মানুষ। ও পারের শিবচর-জাজিরা, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, শ্রীনগরসহ এই এলাকার জনগণ, জনপ্রতিনিধি, সীমাহীন কষ্ট স্বীকার করেছেন। সহায় সম্পত্তি অনেককে ছেড়ে দিতে হয়েছে। পৈত্রিক সম্পত্তি ছেড়ে দেওয়া মানুষের বেদনার অংকুরে বিদ্ধ হয়। আমি বলব আজকে পদ্মা সেতুর এই পর্যায়ে আসার পেছনে, জনগণের সীমাহীন ত্যাগ অবশ্যই একটা অবদান।’

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে সব সফলতা, অবদান ও কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এখানে অন্য কারো কোনো অবদান নেই।

ওবায়দুল কাদের জানান, মন্ত্রী হিসেবে তিনি অত্যন্ত সংকটে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘তখন বিশ্বব্যাংক সেতু নির্মাণে সরে গিয়েছিল। আমাকে যেই দায়িত্ব দিয়েছেন, তা বিপদ সংকট। কিন্তু আমি আমার লিডার, পার্টি সেই দায়িত্ব অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করেছি। আমি একা নই, এখানে একটি দল কাজ করেছে। যেমন সচিব, পিডি, সেনাবাহিনীর মূল্যবান অবদান ছিল।’

এ সময় তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখানে যুক্ত হচ্ছে, সেটা হচ্ছে, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ। এটাও কিন্তু, জনদাবি এবং যেহেতু সেতুটা হচ্ছে, রেল এবং সড়ক সেতু, কাজেই এখানে রেলওয়ের সংযোগ তো লাগবেই। সেই রেল সংযোগেরও কালকে উদ্বোধন হচ্ছে। এটাও একটা নতুন ডাইমেনশন, পদ্মাসেতুর জন্য।’

এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ