আমার বিক্রমপুরে ভিডিও প্রচার: এক মাসের বাজার পেল তারা মিয়া-মমতাজ, আশ্বাস এল আরও
মুন্সিগঞ্জ, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
মুন্সিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ঢাকা বিভাগের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা আমার বিক্রমপুরের ফেসবুক পেজে ‘ইফতার হয় ভাত আর মরিচ ডলা দিয়ে- ছেলে মেয়ে নেই | মুন্সিগঞ্জের মমতাজ-তারা মিয়ার জীবন সংগ্রামের গল্প’ শিরোনামে ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশের পর এক মাসের বাজার নিয়ে পাশে দাড়িয়েছে সরকারি হরগঙ্গা কলেজ রেডক্রিসেন্ট ও মালিরপাথর যুবসমাজ।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ভিডিওটি ফেসবুকে প্রচার হয়। পরে সন্ধ্যার পরপর তারা মিয়া ও মমতাজ বেগমের বাড়িতে ছুটে যান স্থানীয় সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য আম্বিয়া আক্তার স্বর্ণা, সরকারি হরগঙ্গা কলেজ রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের দলনেতা সাজ্জাদ হোসেন আপন, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম দোলনসহ এলাকার আরও একাধিক যুবক।
এসময় তারা তারা মিয়ার কাছে একমাসের বাজার দ্রব্য তুলে দেন তারা।
প্রচারিত ভিডিও:
সরকারি হরগঙ্গা কলেজ রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের দলনেতা সাজ্জাদ হোসেন আপন জানান, আমার বিক্রমপুরে ভিডিওটি দেখে আমরা দ্রুত তার পাশে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেই। এছাড়া পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এই পরিবারকে দ্রুত ঈদ বাজার করে দেয়া হবে বলে আমাদের জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ভিডিওটি দেখার পর আমাদের মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন ভাই খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি আজীবন এই দম্পতির বাসা ভাড়া দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি খাস জমি খোঁজা হবে। সেরকম জায়গা পেলে তাদের একটি ঘর তুলে দেয়া ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়াও ভিডিওটি প্রচারের পর দেশ ও বিদেশ থেকে একাধিক ব্যক্তি তারা মিয়া-মমতাজ দম্পতির জন্য সাহায্য-সহযোগিতা পাঠাতে শুরু করেছেন।
আমার বিক্রমপুরের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তারা কখনোই জনসাধারণের কাছে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা সরাসরি আহ্বান করে না। উল্লেখিত দম্পতি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। তাই কেউ যদি তাদের সহযোগিতা করতে চান, অনুগ্রহ করে (প্রতিবেশীর মাধ্যমে) এই নম্বরে যোগাযোগ করুন—
০১৯১৪৩০৬৯৫০
যোগাযোগের পর সরাসরি তাদের বাসায় গিয়ে সহায়তা প্রদান করার অনুরোধ রইলো।


