স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে স্বামীর আত্মসমর্পণ
রাজধানীর গুলশানে দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন এক ব্যক্তি।
আজ শনিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম রানী বেগম (২৮)। তাঁর স্বামীর নাম মো. ওয়াহিদুজ্জমান মিয়া মিন্টু (৩৫)।
গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন
মিয়া জানান, সকালে থানায় এসে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানিয়ে আত্মসমর্পণ করেন মিন্টু। পুলিশকে তিনি জানান, স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই তাঁর ঝগড়া হতো। পরকীয়া নিয়ে রানী তাঁকে সন্দেহ করতেন।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, রানী গুলশানের ৬৮ নম্বর সড়কের একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। ওই বাসাতেই গাড়ির চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন মিন্টু। এ কারণে স্ত্রীকে নিয়ে প্রতিদিন গুলশানের ওই বাসায় যেতেন মিন্টু। আজ সকালে ওই বাসায় কেউ ছিল না। এ সময় রানীকে পৌঁছে দিতে গিয়ে দুজনের ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে মিন্টু রান্নাঘর থেকে চাকু নিয়ে রানীকে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে গুলশান থানায় এসে হত্যার কথা স্বীকার করেন মিন্টু।
গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার বলেন, স্ত্রীকে হত্যার পর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষে এসে হত্যার কথা স্বীকার করেন মিন্টু। তাঁর দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী ওই বাসায় গিয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এসআই আরো জানান, মিন্টু ও রানী রাজধানীর মহাখালী এলাকার খ্রিস্টানপাড়ায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। রানীর দ্বিতীয় স্বামী মিন্টু। এই দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে।









