১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শনিবার | সকাল ১১:২২
সারাদেশে আলোচিত হলেও মোল্লাকান্দিতে অস্ত্র প্রদর্শন ও সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যবস্থা নেই, ভোটের দিন সংঘাতের আশঙ্কা
খবরটি শেয়ার করুন:
183

মুন্সিগঞ্জ, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জ সদরের চরাঞ্চল মোল্লাকান্দিতে প্রকাশ্যে ভারি অস্ত্র প্রদর্শন ও সংঘর্ষের ঘটনায় ৩দিন পেরিয়ে গেলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। এ ঘটনায় কোন মামলা বা কেউ আটকও হয়নি।

আমার বিক্রমপুরের অনুসন্ধান বলছে, এই পরিস্থিতির মধ্যেই মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আমঘাটা, মুন্সিকান্দি, মহেশপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র অস্ত্র-গুলি ও ককটেল নিয়ে অবস্থান করছে একাধিক গ্রুপ।

ভোটের দিনকে সামনে রেখে এসব মজুত করেছে তারা।

এদিকে, প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা সারাদেশে আলোচিত হলেও মুন্সিগঞ্জের প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, এতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একধরনের বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ভোটের মাঠে।

সবশেষ আজ মঙ্গলবার রাতে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ আমরা তদন্ত করছি। তবে কেউ আটক বা কোন অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। শুনেছি থানায় একটি অভিযোগ পড়েছে। তবে আমি এখনো সেটি দেখিনি। আমরা আসলে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছি।’

গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সিকান্দি গ্রামে উজির আহমেদ ও আওলাদ হোসেন মোল্লার সমর্থকদের সঙ্গে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান (মল্লিক) ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ রায়হানের সমর্কদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে গুলি করা ব্যক্তিদের মধ্য থেকে চারজনকে শনাক্ত করা গেছে। সংঘর্ষের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পরিচয় জানা গেছে।

অস্ত্রধারী ব্যক্তিরা হলেন- মুন্সিকান্দি গ্রামের দিদার দেওয়ানের ছেলে ফাহিম দেওয়ান, তোতা দেওয়ানের ছেলে একরাম দেওয়ান, মোতা সরকারের ছেলে একরামুল সরকার ওরফে ছোট একরাম, নাজির সরকারের ছেলে জিহাদ সরকার। তাঁরা সবাই সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজির আহমেদ ও মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন মোল্লার সমর্থক।