মুন্সিগঞ্জ-৩: বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে সমানতালে রতন-মহিউদ্দিন!
মুন্সিগঞ্জ, ২৯ অক্টোবর ২০২৫, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়ে জেলাজুড়ে জমে উঠেছে আলোচনা।
মাঠপর্যায়ে মূল আলোচনায় রয়েছেন দুই প্রার্থী- দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন।
দলীয় মনোনয়ন নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, আন্দোলনে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক অবস্থান এবং ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করেই এবার প্রার্থী বাছাই হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির একাধিক সূত্র। স্থানীয় পর্যায়ে দুইজনই দীর্ঘদিন ধরে দলের পক্ষে সক্রিয়। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এখন সমানতালে চলছে।
শেষপর্যন্ত এই দুই প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনের হাতেই উঠবে ধানের শীষ প্রতীক। বৈঠক শেষে এখন অপেক্ষা দলীয় সিদ্ধান্তের। আন্দোলনে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক অবস্থান, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় এবার দলীয় মনোনয়ন দেয়ার কথা বলছে বিএনপি।
বৈঠকের পর থেকেই মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের রাজনীতিতে উত্তেজনা বেড়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার শুরু করেছেন ফেসবুক, ব্যানার ও পোস্টার প্রচারণার মাধ্যমে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরাও প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ের অবস্থান, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার পরিসংখ্যান যাচাই করছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যার সাংগঠনিক ভূমিকা, আন্দোলনে সক্রিয়তা ও জনসমর্থন সবচেয়ে দৃশ্যমান, তাকেই দেওয়া হবে ধানের শীষের মনোনয়ন। তবে শেষ মুহূর্তে কৌশলগত কারণে আসন বিন্যাসে পরিবর্তনও আসতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
গুলশানের দলীয় কার্যালয়ে গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টায় ঢাকা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে।
এতে মুন্সিগঞ্জের ৩টি আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অংশ নিয়ে সরাসরি তারেক রহমানের কাছ থেকে বার্তা পেয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে প্রায় ৪০ মিনিট বক্তব্য রেখেছেন। তবে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কেউ কথা বলার সুযোগ পাননি।
সবকিছু মিলিয়ে, মুন্সিগঞ্জের সংসদীয় ৩টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন এখনো অনিশ্চয়তার ঘেরাটোপে। তিন আসনের মধ্যে কে কোথায় শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রতীক পাবেন-সেটি এখন জেলার রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন।


