মসজিদের ফান্ড নিয়ে প্রশ্ন করায় মুন্সিগঞ্জে যুবককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ
158

মুন্সিগঞ্জ, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের রামেরগাঁও এলাকায় মসজিদের ফান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

ভুক্তভোগী রাহাত আহমেদ (২১) গত ১ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জ থানায় জিডি (নং-৮২) দায়ের করেন। জিডিতে ১ নম্বর আসামি নাসির হাওলাদার (৪০), ২ নম্বর আফসু মাদবর (৪৮), ৩ নম্বর নাজমুল হাওলাদার (৩৮) ও ৪ নম্বর নূরা মাদবরকে (৫৫) অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, ১ নম্বর আসামি নাসির হাওলাদার রামেরগাঁও জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক এবং ২ নম্বর আসামি আফসু মাদবর সভাপতির কাছে মসজিদের নির্মাণকাজের ফান্ডের হিসাব জানতে তিনি তাদের কাছে তথ্য চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দিতে থাকে।

গত ২০ মার্চ জুমার নামাজ আদায় করতে মসজিদে গেলে অভিযুক্তরা তাকে প্রবেশে বাধা দেয়, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধর করে। এ সময় তাকে ভবিষ্যতে মসজিদে নামাজ আদায় করতে না দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

এছাড়া, গত ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় প্রাইভেট টিউশন শেষে বাড়ি ফেরার পথে রামেরগাঁও কবরস্থানের সামনে ৩ নম্বর আসামি নাজমুল হাওলাদার লোকজন নিয়ে তাকে রাস্তায় আটকিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধরের চেষ্টা করে। এ সময় তারা তাকে তুলে নিয়ে হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি দেয় বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী রাহাত আহমেদ জানান, “আমি মসজিদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফান্ডের হিসাব জানতে চেয়েছিলাম। এ কারণেই তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।”

এ বিষয়ে জানতে ১ নম্বর অভিযুক্ত নাসির হাওলাদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সে জানায়, ‘যে কারো কাছে আমি ক্যাশের হিসাব দিতে বাধ্য। কিন্তু ২ নম্বর আসামি আফসু মাদবরের সাথে রাহাত আহমেদ এর জমি নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব। আমি কমিটির সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় আমাকে এ ব্যাপারে জড়ানো হয়েছে। প্রাণনাশের হুমকি ও মারধরের অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা- ভিত্তিহীন। আর আমি ব্যবসার কাজে মুন্সিগঞ্জের বাইরে থাকি।’

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ