নগদ টাকা বেশি ফয়সাল বিপ্লবের, ব্যাংকে বেশি স্ত্রীর
মুন্সিগঞ্জ, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, শিহাব আহমেদ (আমার বিক্রমপুর)
মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ও তার সহধর্মিনী চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিনের প্রদত্ত হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্ত্রীর তুলনায় নগদ টাকা বেশি রয়েছে ফয়সাল বিপ্লবের কাছে।
অন্যদিকে, নগদ টাকা কম থাকলেও ব্যাংকে টাকা বেশি স্ত্রীর।
আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া দুইজনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব ও তার সহধর্মিনী স্বতন্ত্র প্রার্থী চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিন দুজনেই পেশার ঘরে লিখেছেন ব্যবসা। কিন্তু তারা ব্যবসায়ী হিসেবে কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত তা উল্লেখ করেননি।
বিপ্লব তার হলফনামায় ব্যবসা থেকে কোন আয় করেন না বলে উল্লেখ করলেও তার স্ত্রী বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২১ হাজার ৯৮৬ টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ফয়সাল বিপ্লব ব্যাংক জমা দেখিয়েছেন, ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৪ টাকা ও তার স্ত্রী দেখিয়েছেন ১৮ লাখ ২১ হাজার ৮২৭টাকা।
হলফনামায় বলা হয়েছে, ফয়সাল বিপ্লবের কাছে নগদ টাকা আছে ৭৩ লাখ ৫১ হাজার ৯০৮ টাকা ও স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার ৩৩৫টাকা।
শেয়ার বাজারে বিপ্লবের ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ আছে। অন্যদিকে, ২৭ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ টাকার ডিপিএস রয়েছে তার স্ত্রী চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিনের। স্বামী বিপ্লবের স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে দেড় লাখ টাকার। দুইজনে আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী দেখিয়েছেন ৪লাখ টাকার।
ফয়সাল বিপ্লবের ৩৯ লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাড়ি রয়েছে। অন্যদিকে ব্যক্তি মালিকানাধীন মূলধন ও ডিপিএস বাবদ ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ টাকার মালিক চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিন।
ফয়সাল বিপ্লবের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ও তার স্ত্রীর এল.এল.এম।
বিপ্লবের কৃষি জমি রয়েছে ৫১ দশমিক ৫০ শতাংশ আর দোকান রয়েছে দুইটি যার মূল্য ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রীর ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি দোকান রয়েছে। যমুনা ব্যাংক মুন্সীগঞ্জ শাখায় ১২ লাখ ২৪ হাজার ২০৬ টাকা ঋণ রয়েছে ফয়সাল বিপ্লবের।
প্রতিশ্রুতি
স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব ও তার সহধর্মিনী স্বতন্ত্র প্রার্থী চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিন দুজনেই তাদের হলফনামায় অভিন্ন প্রতিশ্রুতির উল্লেখ করেছেন। তাদের প্রতিশ্রুতি হলো- এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও ধর্মীয় শিক্ষার উন্নয়ন বিকাশ সাধন করা।


