ক্রিকেট বোদ্ধাদের নজরে রামপালের জোশি!
169

বাংলাদেশের মানুষ দুইজন মেহরাবকে চেনে—মেহরাব হোসেন অপি এবং মেহরাব হোসেন জুনিয়র।

গতকাল ক্রিকেট কোচিং স্কুলের (সিসিএস) হয়ে মোহামেডানকে হারিয়ে দেওয়া বোলিং করলেন আরেক মেহরাব।

তিনি অপির মতো ওপেনিং ব্যাটসম্যানও নন, জুনিয়রের মতো ব্যাটিং অলরাউন্ডারও নন; পেস বোলার মেহরাব হোসেন জোশি।

তার মানে এবার আলোচনায় এলেন আরও এক মেহরাব।

গতকাল সিসিএসের এই মেহরাবের গতিতে বিধ্বস্ত হয়ে ১১৭ রানে অলআউট মোহামেডান। তাতেই ডিএল ম্যাথডে ৩১ রানের জয় পায় সিসিএস। ৫ ওভারে ১৪ রানের খরচায় এক মেইডেনসহ চার উইকেট নেন জোশি।

নিজের বোলিং নিয়ে মেহরাব বলেন, ‘চেষ্টা করেছি লাইন লেন্থ ঠিক রেখে বোলিং করার, সেট করতে পেরেছি। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে দলকে জেতাতে পেরে।’

মেহরাব হোসেনের বোলিং প্রসঙ্গে সিসিএসের কোচ আহসানউল্লাহ বিপ্লব বলেন, ‘মেহরাব সত্যিকারেই ভালো মানের খেলোয়াড়, বোলিংয়ে পাশাপাশি ভালো ব্যাটিংও করে। গাইড লাইন পেলে ভবিষ্যতে ভালো করবে।’

২০০৬ সালে এসএসসি পাস করার পর ২য় বিভাগে প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে ক্রিকেট খেলেন মুন্সিগঞ্জের রামপালে জন্ম নেয়া মেহরাব। পরের দুই মৌসুমে ১ম বিভাগে মতিঝিল টিএন্ডটি ক্লাবের হয়ে খেলেন। ২০০৮-২০০৯ মৌসুমে ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের হয়ে ১ম বিভাগে খেলেন।

মেহরাব হোসেন জোশি সম্পর্কে জানতে চাইলে ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের ক্রিকেট দলের ম্যানেজার আব্দুল মজিদ বলেন, ‘ও মূলত আমার এলাকার ছেলে, মুন্সিগঞ্জের সমিতি ভবনে থাকত। ভালো ক্রিকেট খেলার কারণে তখন থেকেই আমার সাথে ওর জানাশোনা ছিল। যার কারণে আমি ওকে ইন্দিরা রোডের জন্য প্রথম বিভাগে নিয়ে নেই। ২০১৩-১৪ মৌসুমে ইন্দিরা রোডের হয়ে ফতুল্লাহ স্টেডিয়ামে ব্রাদার্সের বিপক্ষে ৮২ রানের ইনিংস খেলছেন জোশি।’

২০১২ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে প্রাইম ব্যাংকের হয়ে সুযোগ পেলেও ইনজুরির কারণে একটি ম্যাচেও খেলতে পারেননি। ঢাকা লিগের সর্বশেষ আসরে কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমির হয়ে পাঁচটি ম্যাচে খেলেছেন জোশি। চলমান ঢাকা লিগের নিলামে ক্রিকেট কোচিং স্কুল (সিসিএস) পাঁচ লাখ টাকায় মেহরাব হোসেন জোশিকে কিনে নেয় । মাশরাফি বিন মুর্তজাকে আদর্শ হিসেবে মানা মেহরাবের লক্ষ্য জাতীয় দলের হয়ে খেলা, ‘লক্ষ্য আছে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ক্রিকেট খেলার। বিপিএলেও খেলতে চাই। আরো একটি লক্ষ্য আছে। খালেদ মাহমুদ সুজন ভাইয়ের অধীনে যে কোনো ক্লাবে খেলতে চাই। মূলত ওনার কাছ থেকে আমি পরামর্শ পেতে চাই।’

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ