কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ না পাওয়ায় ক্ষুদ্ধ অাব্দুল হাই অনুসারীরা
শিহাব অাহমেদঃ সদ্য ঘোষিত কেন্দ্রীয় বিএনপির কমিটিতে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অাব্দুল হাইয়ের কোন পদ না থাকায় এ নিয়ে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জেলার রাজনীতিতে জড়িত তার অনুসারীরা।
৫বারের সাংসদ, সাবেক উপমন্ত্রী ও পূর্বের কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক অাব্দুল হাই। এখন থেকে তিনি পদহারা।
জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা সরকার পতনের প্রত্যাশা করে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে স্বৈরাচার অাখ্যা দিয়ে তার ফেইসবুক ওয়ালে লিখেছেন, ”ধানের শীষ বলতেই বুঝতাম আব্দুল হাইকে।এগুলো একেবারে ছোটবেলার কথা।
একটু বড় হবার পর বুঝেছিলাম,আব্দুল হাই শহীদ জিয়ার কথা বলতেন এবং আজো বলেন।তিনি শহীদ জিয়ার সততা দেশপ্রেম- আদর্শের কথা বলতেন এবং আজো বলেন।শহীদ জিয়া, বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখতেন সেই স্বপ্ন ও স্বপ্নের বাস্তবায়নের কথা বলতেন এবং আজো তা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র পক্ষে সফলতার সাথে মুন্সীগঞ্জের নেতৃত্বের হাল শক্তহাতে ধরে রেখেছেন।
আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল হাই উন্নয়ন আর উৎপাদনের নীতিতে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে কাজ করে গেছেন সততার সাথে,সাধারন হতে অতি সাধারন জনতার সাথে মিলে মিশে যেয়ে।উন্নয়নেরর প্রতিটি চিত্র তার হাতেই হয়েছে আঁকা, তিনি উন্নয়নের একজন জাতশিল্পি, যে শিল্পের ছোঁয়ায় বদলে গেছে মুন্সীগঞ্জের আজকের চিত্র।মুন্সীগঞ্জের সদর ও গজারিয়ার এই বর্তমান উন্নয়নের আধুনিক দৃশ্য তার হাতেই হয়েছিল চিত্রায়িত।
শুনেছি সাধারণ থাকাটাও নাকি অসাধারণ এক গুন। এই অসাধারণ গুনের অধিকারী একজন মানুষ, একজন রাজনীতিবিদ,একজন জনপ্রতিনিধি,একজন জনপ্রিয় জননেতা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল হাই।যার মাঝে আধুনিকতার নামে তথাকথিত ভণ্ডামি নাই,নাই অপরাজনীতি করার মানসিকতা,নাই জ্ঞানপাপীদের মতো নষ্টামিতে ভরা পাপী মস্তিষ্ক।
তার মাঝে যা আছে তা শহীদ জিয়ার আদর্শ,শহীদ জিয়ার দেখানো পথ, সততা, সরলতা, সাধারণ থেকে সাধারণ জনতার মাঝে মিশে যেয়ে জনতার হৃদয় জয় করে নেবার সুন্দর এক ক্ষমতা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে আলহাজ্ব আব্দুল হাই একজন সৎ ও পরীক্ষিত নেতা। বিশ্বাস ও আস্থার পরীক্ষায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে সফলতার সাক্ষর রেখেছেন যে নেতা সেই নেতাকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনোই অবমূল্যায়ন করতে পারেন না বলেই আমাদের বিশ্বাস। এই বিশ্বাসটুকু অটুট থাকুক।বিশ্বাসগুলো চির বিজয়ী থাকুক।আব্দুল হাই জিন্দাবাদ। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে নব নির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আগামীদিনে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার পতনের আন্দোলন সফল হোক সেই প্রত্যাশাই করি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ, তারেক রহমান জিন্দাবাদ। ছাত্রদল জিন্দাবাদ।”
শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক অাল-অামিন লিখেছেন, “আঃহাই। মুন্সীগঞ্জের মা মাটি ও গনমানুষের নেতা। জিয়াউর রহমান থেকে আজ। কোথায় তার অবদান নেই। এরশাদ বিরোধী থেকে ১/১১। নারায়গঞ্জ ৭ খুনের পর সারাদেশে কোথাও যখন প্রোগ্রাম করতে দেওয়া হচ্ছে না তখন তিনি মুন্সীগঞ্জ এ বিশাল প্রতিবাদ সভা করলেন মেডাম নিয়ে। সিটি নিরবাচনে গাজীপুর ঢাকা চষে বেড়ান। মুন্সীগঞ্জ এর রাজপথে নামলেই যার গন্ধ পাওয়া যায়।আমার ১৫ বছর রাজনীতি দেখা দলের নিবেদিত কাউকে দেখিনি।সারা বাংলাদেশ চ্যালেন্জ করলাম তার মত কেউ রাজপথ টাকে আগলে রাখেনি তার প্রতি কেন এই অবিচার?”
তবে মুন্সিগঞ্জের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১/১১ সময় অাব্দুল হাইয়ের ডিগবাজির কারনে তাকে মূল্যায়ন করেননি খালেদা জিয়ার পূত্র তারেক জিয়া।





