শেষ জীবনে একা ছিলেন জ্যাকসন
105

বিনোদন ডেস্ক : পপস্টার মাইকেল জ্যাকসনের শেষ জীবনে সবসময় পাশে পেয়েছেন তার দুই দেহরক্ষীকে৷ তারাই জ্যাকসনের সেই জীবন নিয়ে ‘রিমেম্বর দ্য টাইম: প্রোটেক্টিং মাইকেল জ্যাকসন ইন হিস ফাইনাল ডেজ’ নামে একটি বই লিখেছেন।

এই বইটিতে তারা লিখেছেন জ্যাকসনের ব্যাক্তিত্বকো বোঝা একটু মুশকিল। উনি নিজের কাজের মাধ্যমে অনেক জীবন সুন্দর করেছেন এবং কোটি ডলার দান করে দিয়েছেন কিন্তু কোথাও না কোথাও নিজের কষ্টের সঙ্গে লড়াই করে গেছেন৷

বিল ভাইটফিল্ড ও জেবন বিয়ার্ড তাদের লেখা বইয়ে জ্যাকসনের পরিবার ও বাইরের জগতের মাঝে একমাত্র দ্বারপালের ভূমিকার সমস্ত অনুভূতির কথা লিখেছেন৷এই পপস্টারের জীবনের শেষ তিন বছর তারা দুজনের খুব ঘনিষ্ট ছিলেন৷ ২০০৯ সালে অ্যানাস্থেশিয়ার অতিরিক্ত ডোজের কারণেই গোটা বিশ্ব পপসম্রাটকে হারায়৷

এই বইয়ে তারা দুজনেই জানিয়েছেন যে, এমজে চাইতেন গোটা বিশ্ব তার ভেতরের ভাল মানুষটাকে দেখুক ও তাকে এক অদ্ভূত পিতার রূপে জানুক৷ ভাইটফিল্ড জানিয়েছেন, মাইকেল কারোর উপর ভরসা করতেন না৷

ভাইটফিল্ড জানিয়েছেন, তিনি একটি আলাদা ধরনের মানুষ ছিলেন, খুব বেশি ঘুমোতেন না৷ তিনি সবসময় রাত ৩-৪টে নাগাদ সারা বাড়ি ঘুরে দেখতেন এবং সব দরজায় তালা ঠিক মতো লাগানো রয়েছে কিনা তার খতিয়ে দেখতেন৷

তারা জানিয়ছেন, মাইকেলের বাড়িতে তার মা ক্যাথরিন জ্যাকসন ছাড়া অন্য কেউ আগে থেকে অনুমতি না নিয়ে আসতে পারত না৷ জ্যাকসনের বাবা ও ভাই বোনদেরও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে তবে আসতে হত৷

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ