মুন্সিগঞ্জে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীকে বিয়ে-যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ‘বিবাহিত’ মাদ্রাসা শিক্ষক আটক
মুন্সিগঞ্জ, ১২ মে ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার আপড়কাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন (৬৫) স্থানীয় উম্মুল কুরা সিরাজুল ইসলাম মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক।
ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির আবাসিক ছাত্রী। তার বাড়ি নরসিংদীর বেলাব উপজেলায়।
পরিবারের অভিযোগ, গত ২৪ জানুয়ারি বোর্ড পরীক্ষার কথা বলে আরও দুই ছাত্রীর সঙ্গে ওই ছাত্রীকে সোনারং এলাকায় নিয়ে যান দেলাওয়ার। পরে অন্য দুই ছাত্রীকে টংগিবাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়ে বড়লিয়া এলাকায় আরও দুজন শিক্ষকের সহায়তায় কৌশলে ‘সরা’ পড়িয়ে বিয়ে করেন তিনি। এরপর মাদ্রাসায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে তাকে যৌন নির্যাতন করা হয়।
ভুক্তভোগীর খালু মনির হোসেন খান বলেন, আমার ভাগনি বিষয়টি তার খালাকে জানালে আমরা স্থানীয় লোকজন নিয়ে গিয়ে দেলাওয়ারকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিই।
স্থানীয়রা জানান, দেলাওয়ার বিবাহিত এবং তার একাধিক সন্তান রয়েছে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল।
অভিযোগের বিষয়ে দেলাওয়ার বলেন, তিনি ওই ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন। তবে কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি।
তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে সরা করেছি। বয়স হলে পরে কাবিন রেজিস্ট্রি করব।
টংগিবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী মাসুদ রানা বলেন, স্থানীয়রা এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।





