ভারত দর্শকদের প্রশংসায় বাংলাদেশি জাহিদুল ইসলাম যাদু
জাহিদুল ইসলাম যাদু একজন পরিশ্রমি নাট্টকর্মী । জাহিদুল ইসলাম যাদু একজন শক্তিশালি অভিনেতা। তার কন্ঠে রয়েছে প্রিয় কবিতার উচ্চারণ। রয়েছে অাবৃত্তির দর্শকপ্রিয়তা।
তিনি মাতব্রিং নামের একটি নাটকে অভিনয় করে অাসলেন বিদেশের মাটিতে- কানু সাংমা, মিষ্টি একটি প্রেমের মধ্যেই যার অস্তিত্বের সংগ্রাম। নাটকটি থিয়েটার অলিম্পিকে ভুবনেশ্বরের রবীন্দ্র মন্ডপ এবং দিল্লির কামানী অডিটোরিয়ামে মঞ্চায়িত হয়েছে। ৩৫টি দেশের ২৫০ নাটকের দল এখানে অংশ নিয়েছে NSD এবারের আয়োজক। জাহিদুল ইসলাম যাদি নাটক করেই যাবে কারণ সে সামাজিক চরিত্রগুলি বিশ্লেষণ করতে ভালবাসে, মানুষ, দেশ তথা জীবনকে ভালবাসে। ভবিষ্যতে আরো বেশি শ্রম দিতে চান থিয়েটার চর্চায়। আর হ্যা সে কর্মজিবন ও অভিনয় জিবনের পাশাপাশি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকতে চান। তাকে বিলিয়ে দিতে চান অবহেলিত মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গে। নাটক করতে এসে কতোভাবে কতো কটুকথা শুনেছেন বাঁধা বিপত্তির সম্মুখিন হয়েছেন কিন্তু সে নাটক ভালবাসে বলেই সব পাশ কাটিয়ে, ডিঙ্গীয়ে ছুটে চলছে থিয়েটার জীবনে।
২০০১ এর শেষদিকে অনার্সে ভর্তির পরপরই নাটকের সাথে সম্পৃক্ততা, আবৃত্তিতে ঝোঁক ছিল প্রবল। এম,এম কলেজ যশোরে বিবর্তনের শাখাতে ভর্তি হন তিনি। পথ নাটক মূল হাতিয়ার, একে একে শোনাকথা, বুঁড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ(ভক্ত বাবু), মনের আয়না(মনি), পুরস্কার(দুঃখী চামার) মহাবিদ্যা(ধাঙড়) অনেক পথনাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র করার সুযোগ হয়েছে তার ! মাইমের( নির্বাক) উপর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জাহিদুল ইসলাম জাহিদ মাইমের ওস্তাত ছিলেন শ্রদ্ধায়ে পার্থ প্রতীম মজুমদার নিকট। জন্তু নামক একটি পথ নাটকে তিনি ছিলেন জুকার, রাজা প্রতাপাদিত্য নাটকে প্রতাপের বিদ্রোহী স্বত্তা পুরোটা মাইম। ২০০৪ সালে ‘কৈবত্য গাঁথা’ মঞ্চ নাটক যার লেখক আব্দুল্লাহ-হেল-মাহমুদ এবং নির্দেশক ফয়েজ জহির ঐ নাটকে তিনি ‘ছেত্তা’ চরিত্রটি করেন, নিষ্ঠুর জল্লাদ যে ভীমের শিরোচ্ছেদ করেন। এরকম অনেক নাটক তিনি অভিনয় করেছেন। তার অভিনয় জিবন অল্পপরিসরে লিখতে বসলেও অনেক সময়ের বিষয় তারপরও তিনি অভিনয় গুনি একজন অভিনেতা। তার একটাই স্বপ্ন থিয়েটারের পাশাপাশি নিজেকে টিভি মিডিয়ায় প্রকাশ সহ খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো। জাহিদুল ইসলাম যাদু পরিশেষে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী প্রাণখুলে দোয়া ও অাশির্বাদ কামনা করছেন ।





