৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
মঙ্গলবার | রাত ১১:০৮
কলমা লক্ষ্মীকান্তে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, উৎসবে মেতে উঠে শিক্ষার্থীরা
খবরটি শেয়ার করুন:
46

মুন্সিগঞ্জ, ৩ এপ্রিল ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জে লৌহজং উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কলমা লক্ষ্মীকান্ত হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) সকাল থেকে দিনব্যাপী কলেজ প্রাঙ্গণে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন ইভেন্টে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্প, বল নিক্ষেপ, স্মৃতি পরীক্ষা, অন্ধের হাঁড়ি ভাঙা, বালিশ খেলা, গোলক নিক্ষেপ, বর্শা নিক্ষেপ, চেয়ার খেলা, বেলুন ফাটানো ও রশির নাচসহ নানা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে। এছাড়া প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অংশগ্রহণকারীরাও দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। প্রতিটি ইভেন্টেই দর্শকদের উচ্ছ্বাস ও করতালি ছিল চোখে পড়ার মতো।

কলমা লক্ষ্মীকান্ত হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাহানা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক মো. তোহা মিয়া আখন, এইচ.এম. শাহ আলম মোল্লা, পরিমল চন্দ্র ঢালী, জাহানজীব সারোয়ার, রেজুনা খাতুন, মো. তোয়াহা, নাসরিন সুলতানা, মোন্তাছির রহমান, লিয়াকত হোসেন ও দিলীপ কুমার গোস্বামী।

এছাড়া কলেজ শাখার প্রভাষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মো. শামসুল আলম, খুশিলাল রায়, মো. ফরহাদ মিয়া, কামাল হোসেন, সুরাইয়া ইয়াসমিন, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. তানজিল হোসেন, সাদ্দাম হোসেন ও দ্বীন ইসলাম। সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন জুরান রায়, মুহাম্মদ শাহীন মিঞা, হৃদয় চন্দ্র মৃধা, আনোয়ার হোসাইন, অনিতা রানী ঘোষ, কিরণ চন্দ্র শিকারী, এনায়েত করিম, আয়েশা আক্তার ও অপু বিশ্বাস।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও অন্যান্য অতিথিরা। তারা শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়ে পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।

অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাহানা আখতার বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। তিনি উল্লেখ করেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি ক্রীড়াচর্চা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও দলগত মনোভাব গড়ে তোলে। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে শারীরিকভাবে সুস্থ ও মানসিকভাবে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।