৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
বৃহস্পতিবার | রাত ৩:১৬
সিরাজদিখানে ‘কেমিক্যাল শিল্প পার্ক’ নির্মাণ কতটা এগুলো?

খবরটি শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email

মুন্সিগঞ্জ, ১১ জানুয়ারি, ২০২১, আরাফাত রায়হান সাকিব (আমার বিক্রমপুর)

২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের তুলশিখালি এলাকায় বিসিক কেমিক্যাল শিল্প পার্ক তৈরির প্রকল্প অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। যার নাম দেয়া হয় মুন্সিগঞ্জ বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক সংশোধিত প্রকল্প।

প্রক্রিয়া শুরুর পর কেটে গেছে ১৮ মাস সময়। তবে এসময়ে অনেকটা কাজ এগিয়েছে বলে প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে।

এর মধ্যেই প্রকল্পের ৩১০ একর জমি অধিগ্রহনের কাজ শেষ হয়েছে। এদিকে আজ সোমবার জেলা প্রশাসন থেকে নির্ধারিত জমি প্রকল্প কতৃপক্ষ বুঝিয়ে দিবে বলে জানিয়েছে বিসিক কেমিক্যাল শিল্প পার্কের প্রকল্প পরিচালক সাইফুল ইসলাম।

গতকাল সন্ধ্যায় মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, সোমবার জমি বুঝে পাওয়ার পরেই শুরু হবে প্রকল্পের ৩১০একর জমিতে মাটি ভরাটের কাজ। শিল্প পার্কে ২হাজার থেকে ২হাজার ২শ’র মত প্লট থাকবে। অর্থাৎ ২হাজারের অধিক ক্যামিকেল শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকবে। ৫০হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বড় ধরনের অবদান রাখবে এই শিল্প পার্ক। শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে সরকার যথেষ্ঠ রাজস্ব পাবে।

তিনি আরও জানান, উৎপাদনের বিষয়টি সঠিক করে বলা যাচ্ছে না, কারন এক প্রতিষ্ঠানে একেক পরিমাণে উৎপাদন হবে। কোনটিতে আবার শুধু গোডাউন হবে। এখন জমি বুঝে নেওয়া হবে, এরপর মাটি ভরাট, অবকাঠামো নির্মাণ সহ সকল কাজ পর্যায়ক্রমে শেষ করা হবে। ২০২২ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রকল্পের বেঁধে দেয়া সময় সীমার মধ্যে কাজ শেষ করা হবে।

প্রকল্পের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। প্রকল্প পরিচালক বলছেন, ২০২২ সালের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। ছবি: আরাফাত রায়হান সাকিব।

প্রসঙ্গত, পুরাতন ঢাকার রাসায়নিক কারখানা ও গুদাম মুন্সিগঞ্জে পরিবেশবান্ধব স্থানে সরিয়ে নিতে ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল ১ হাজার ৬’শ ১৫.৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মুন্সিগঞ্জ বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

একনেক চেয়ারপার্সন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই বছরের জুন থেকেই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

একটি সূত্রে জানা যায়, পুরাতন ঢাকায় প্রায় চার হাজার রাসায়নিক কারখানা ও গুদাম রয়েছে। ২০১৯ সালর ২০ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

গনমাধ্যমের তথ্যমতে সেসময় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছিলেন, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য পুরনো ঢাকা থেকে রাসায়নিক কারখানা ও গুদাম মুন্সিগঞ্জে কম জনবসতি ও পরিবেশবান্ধব স্থানে সরিয়ে নেয়া। প্রকল্পের অধীনে শিল্পপার্কে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

error: দুঃখিত!